বড়দিন খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের একটি মহোৎসব যা যিশুখ্রিষ্টের জন্মকে কেন্দ্র করে উদ্যাপিত হয়। এই উৎসব মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানবসেবার শিক্ষা দেয়। যিশুর জন্ম মানুষের সঙ্গে ঈশ্বরের মিলনের প্রতীক এবং মানুষের মধ্যে শান্তি-সম্প্রীতি গড়ে তোলার বার্তা বহন করে।
বড়দিনের শিক্ষা
বড়দিনের শিক্ষা হলো শান্তি, সম্প্রীতি এবং মানবসেবার শিক্ষা। যিশু কোনো কিছুতে আসক্ত ছিলেন না, তিনি মর্ত্যলোকে নেমে এসেছিলেন মানবসেবায় এবং মানব-পরিত্রাণকাজে ব্যস্ত থাকতে। আমাদের যেন ভোগাবিষ্ট না হয়ে উদার হতে হবে, অন্যের প্রয়োজনের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। যিশুর জন্মের জন্য জায়গা জোটেনি, তাঁর জীর্ণ গোশালায় জন্ম হওয়া এবং দারিদ্র্যকে আলিঙ্গন করা আমাদের জন্য একটি শিক্ষা।
বড়দিন উদ্যাপনের রীতি
বড়দিন উদ্যাপনের রীতি হলো আনন্দগানে, খাবারদাবার, অতিথি আপ্যায়ন, আশীর্বাদ দেওয়া-নেওয়ার মাধ্যমে। গির্জাঘর সাজানো হয় এবং প্রতীকী গোশালা তৈরি করা হয় যেখানে শায়িত শিশু যিশুর প্রতিকৃতি থাকে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও কীর্তন শুরু হয় ২৪ ডিসেম্বর রাতে বড়দিনের উপাসনা বা খ্রিষ্টযোগের পর। ২৫ ডিসেম্বর দিনের বেলা আনন্দময় মহাখ্রিষ্টযোগ অনুষ্ঠিত হয়।
শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা
বড়দিন শান্তি ও সম্প্রীতির দিন। বাংলাদেশে এবং সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি-সম্প্রীতি ভীষণ প্রয়োজন। এই বড়দিনে বিশেষভাবে শান্তির জন্য প্রার্থনা করা হয় এবং পরিবার, সংস্থা এবং আন্তধর্মীয় পরিসরে শান্তি-সম্প্রীতি গড়ে তোলা হয়।


















