কিডনির রোগ প্রতিরোধে খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব অপরিসীম। সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের ওপর রেনাল লোড বা কিডনির ওপর চাপ নির্ভর করে।
পানি পান
প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস পানি পান করুন। প্রস্রাব হালকা স্বচ্ছ রঙের থাকলে বুঝবেন পানির পরিমাণ ঠিক আছে।
লবণ কম খাওয়া
দিনে ১ চা–চামচ বা তার কম, শুধু রান্নায় লবণ ব্যবহার করুন। কাঁচা বা ভাজা লবণ পরিহার করুন। অতিরিক্ত লবণ কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপের জন্য ক্ষতিকর।
প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়ান
চিপস, ফাস্ট ফুড, ক্যানজাত খাবার বাদ দিন। এগুলোয় লবণ ও রাসায়নিক উপাদান বেশি থাকে।
সুষম খাবার
শাকসবজি, ফল, দেহের ওজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত প্রোটিন (বিশেষ করে লাল মাংস) যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।
নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।
ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
এগুলো কিডনির রোগের প্রধান কারণ। নিয়মিত চেকআপ করুন।
ব্যথার ওষুধ
অকারণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।
ধূমপান ও অ্যালকোহল
এসব এড়িয়ে চলুন। এগুলো কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
অতিরিক্ত ওজন কিডনির ওপর চাপ ফেলে।
নিয়মিত পরীক্ষা
নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এতে সমস্যা শুরুতেই ধরা পড়ে।


















