হাজার হাজার সিভির স্তূপ এবং নিয়োগদাতার হাতে সময়ের অভাব মোকাবেলায় একটি ছোট ভিডিও সিভি স্বল্প সময়ে নিজেকে আলাদাভাবে চেনানোর এক নতুন উপায়। নিয়োগকর্তারা এখন প্রার্থীর কথা বলার ধরন আর আত্মবিশ্বাস সরাসরি দেখতে চান। ভিডিও সিভি তৈরির আগে এটি আপনার চাকরির জন্য কতটা দরকার তা ভাবুন। মার্কেটিং, সেলস বা ভিডিও এডিটিংয়ের মতো পেশায় এটি দারুণ কার্যকর। ভিডিওটি দীর্ঘ করবেন না, সর্বোচ্চ দুই মিনিটের মধ্যেই কথা শেষ করুন। ভিডিও দীর্ঘ হলে নিয়োগদাতা মনোযোগ হারাতে পারেন। ভিডিওর সৌন্দর্য গুরুত্বপূর্ণ, পরিষ্কার আর গোছানো পরিবেশে ভিডিও করুন। নিয়োগদাতারা সবসময় আগ্রহী ও উৎসাহী মানুষ খোঁজেন। ভিডিও রেকর্ড করার আগে নিজেকে একবার যাচাই করে নিন। আপনার কণ্ঠস্বরে যেন আত্মবিশ্বাস আর কাজের প্রতি ভালোবাসা ফুটে ওঠে। ভিডিওটি সরাসরি ই-মেইলে অ্যাটাচ করবেন না, এটি প্রথমে ইউটিউব বা ভিমিওতে আপলোড করুন। প্রাইভেসি সেটিং ‘আনলিস্টেড’ করে দিন যেন শুধু লিংক থাকলেই দেখা যায়। এরপর ভিডিওর লিংকটি সিভির শুরুতে বা কভার লেটারে যোগ করুন। চাইলে সিভিতে একটি কিউআর কোডও দিতে পারেন। ভিডিও সিভি নিয়োগকর্তাকে প্রার্থীর ব্যক্তিত্ব বুঝতে দারুণ সাহায্য করে। এটি আপনার যোগাযোগ ও উপস্থাপনার দক্ষতা সরাসরি প্রমাণ করে। মনে রাখবেন, ভিডিও সিভি কখনোই প্রথাগত সিভির বিকল্প নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সহায়ক অংশ।
ভিডিও সিভি তৈরির কিছু টিপস:
- ভিডিওটি সর্বোচ্চ দুই মিনিটের মধ্যে রাখুন। - কাগজের সিভিতে যা লেখা আছে, ভিডিওতে ঠিক তাই বলা সময়ের অপচয়। ভিডিওতে আপনার ব্যক্তিত্বের কথা বলুন। - ভিডিওর সৌন্দর্য গুরুত্বপূর্ণ, পরিষ্কার আর গোছানো পরিবেশে ভিডিও করুন। - নিয়োগদাতারা আগ্রহী ও উৎসাহী মানুষ খোঁজেন, ভিডিও রেকর্ড করার আগে নিজেকে একবার যাচাই করে নিন। - ভিডিওটি সরাসরি ই-মেইলে অ্যাটাচ করবেন না, এটি প্রথমে ইউটিউব বা ভিমিওতে আপলোড করুন।


















