নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যার কারণে কমপক্ষে ৪,৪৭১ জন মানুষ নিখোঁজ এবং ৯৫৫ জন নিহত হয়েছেন। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বলেছে যে, নেপালের দিকে ৩,৯২৫ জন নিখোঁজ এবং ৯৩৯ জন নিহত হয়েছেন। তিব্বতের দিকে ৫৪৬ জন নিখোঁজ এবং ১৬ জন নিহত হয়েছেন।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বলেছে যে, ৫৯২ জন বিদেশী মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল সিসিটিভি বলেছে যে, তিব্বতে কমপক্ষে ২৬১ জন বিদেশী মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতের কর্তৃপক্ষ বলেছে যে, নেপাল থেকে আগত নদীগুলো থেকে তারা ১৭টি লাশ পেয়েছে, যাদের বন্যায় নিহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বলেছে যে, হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পে কাজ করা ৬৩৯ জন, ৪৫ জন নেপালি সেনা, ৩৮ জন পুলিশ এবং ১৮ জন কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালের নুওয়াকোট জেলায় কমপক্ষে ১,১৫৮ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
বিভিন্ন দেশের মানুষও নিখোঁজ রয়েছে। চীনে ৪৯ জন ভারতীয়, ৮৫ জন মার্কিন, ৬৫ জন চীনা, ৩৩ জন যুক্তরাজ্যের নাগরিক, ২৯ জন লাটভিয়ান, ২৫ জন কানাডিয়ান, ৯ জন দক্ষিণ কোরিয়ান, ৮ জন জার্মান, ৬ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ৫ জন নিউজিল্যান্ডীয়, ৪ জন ফরাসি, ৩ জন স্পেনীয়, ২ জন বেলজিয়ান, ৩ জন হাঙ্গেরিয়ান, ৩ জন পর্তুগিজ, ২ জন নেদারল্যান্ডস, ৩ জন ইতালীয়, ২ জন আইরিশ, ৩ জন কাজাখ, ১ জন ফিনিশ, ১ জন লিথুয়ানীয়, ১ জন সুইস, ১ জন সুইডিশ নিখোঁজ রয়েছেন।
নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বলেছে যে, নেপালে ৬২ জন ইউক্রেনীয় মানুষের সাথে যোগাযোগ হারিয়ে গেছে। তিব্বতে ৩৩ জন লাটভিয়ান, ৬ জন কানাডিয়ান, ৩ জন জার্মান, ৩ জন রাশিয়ান, ৪ জন দক্ষিণ আফ্রিকান, ২ জন নিউজিল্যান্ডীয়, ২ জন ফরাসি, ১ জন স্পেনীয়, ১ জন পর্তুগিজ, ২ জন নেদারল্যান্ডস, ১ জন ইতালীয়, ২ জন আইরিশ, ১ জন কাজাখ, ১ জন ফিনিশ, ১ জন লিথুয়ানীয়, ১ জন সুইস, ১ জন সুইডিশ নিখোঁজ রয়েছেন।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে হাজারো মানুষ নিখোঁজ হওয়ার খবর পেয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের নাগরিকদের খোঁজ চালাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বন্যা ও ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কাজ চালাচ্ছে। তারা আহতদের চিকিৎসা এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।







































