নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ বন্যায় কমপক্ষে ১৬৫ জন মারা গেছে এবং বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। কাঠমান্ডুর এক হাসপাতালের করিডোরে আতঙ্কিত আত্মীয়স্বজনরা নিখোঁজ পরিবারের সদস্যদের খোঁজে ব্যস্ত রয়েছেন। রাসুয়া জেলায় নিখোঁজ হওয়া রাম শরণ রাসাইলির ছোট ভাই সুভাষ খাতানি তাঁর খোঁজে বিআর হাসপাতালে তালিকা দেখছেন এবং কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলছেন। বুধবার ভূমিকম্পের কারণে হিমবাহ পতনের ফলে বোটে কোশি ও ত্রিশূলি নদীর তীরবর্তী গ্রাম ও শহরগুলোতে জল ও কাদায় ভরা এক বিপুল জলপ্রপাতের মতো ঢেউ ঢুকে পড়েছিল। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র জানিয়েছে, নেপালে ৮২৩ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যার মধ্যে ৫৭৯ জন পর্যটক রয়েছেন। তিব্বতে চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া জানিয়েছে, তিব্বতে তিন জন মারা গেছে এবং ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছে, যাঁর মধ্যে ২৬০ জন বিদেশী রয়েছেন।
পটভূমি
নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও জলপ্রপাতের মতো ঢেউয়ের কারণে বহু জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাসুয়া ছিল প্রথম আক্রান্ত জেলা, কিন্তু বন্যায় সাতটি জেলায় মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বন্যার কারণে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত চিতওয়ান পর্যন্ত জলপ্রপাতের মতো ঢেউ গিয়ে পৌঁছেছিল। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অনুযায়ী, হিমবাহ পতনের কারণে ভূমিকম্প হয়েছিল এবং তার ফলে নেপাল ও তিব্বতে বিপর্যয়কর প্রভাব পড়েছে।
পরিবারের দুঃখ
নিখোঁজ মানুষদের খোঁজে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল ও পুলিশ হেল্পডেস্কের মধ্যে চলে বেড়াচ্ছেন। চিত্রা বাহাদুর নেপালি তাঁর ভাতিজা যুবরাজ সেওয়াকের খোঁজে ব্যস্ত রয়েছেন, যিনি রাসুয়া জেলায় যাওয়ার সময় যোগাযোগ হারিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, 'আমি তাঁর খোঁজে এখনও চালাচল করছি। তাঁর নাম কোনো তালিকায় নেই এবং আমাদের পরিবারের অন্য একজন সদস্যও নিখোঁজ রয়েছে।'




































