দক্ষিণ কোরিয়া বুধবার জানিয়েছে রাশিয়ার সামরিক বিমান তার বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করায় যুদ্ধবিমান প্রেরণ করা হয়েছে। এটি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি জটিল
রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর দক্ষিণ কোরিয়া পশ্চিমা দেশগুলোর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় যোগ দিলে রাশিয়া-দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এছাড়া মস্কো উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করেছে।
বিমানগুলো যুদ্ধবিমান দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছে
সিওলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে একাধিক রাশিয়ান বিমান পূর্ব সমুদ্র, অর্থাৎ জাপান সাগরে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা চিহ্নিতকরণ অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছে রাশিয়ার বিমানগুলো অঞ্চলে প্রবেশ করার আগেই সনাক্ত করা হয়েছিল এবং সম্ভাব্য ঝুঁকির প্রস্তুতি হিসেবে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করা হয়েছে। রাশিয়ার বিমানগুলো দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘন করেনি।
বিমান প্রতিরক্ষা চিহ্নিতকরণ অঞ্চল হলো সার্বভৌম আকাশসীমা নয় বরং নিরাপত্তার জন্য বিদেশী বিমানকে নিজেকে চিহ্নিত করতে হয় এমন একটি বাফার অঞ্চল।
সাধারণভাবে আশা করা হয় যে বিমানবাহিনীর বিমানগুলো অঞ্চলে প্রবেশ করার আগে সংশ্লিষ্ট দেশকে অবহিত করবে, যদিও এ বিষয়ে কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।
গত জুনের শেষে চীন ও রাশিয়ার ১০টিরও বেশি সামরিক বিমান দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চলে প্রবেশ করেছিল। বেইজিংয়ের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল চীন ও রাশিয়ার বাহিনী জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে 'কৌশলগত বিমান পাহারাদারি' পরিচালনা করেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে পাহারাদারিটি স্বাভাবিক সামরিক সহযোগিতার পরিকল্পনার অংশ এবং 'তৃতীয় দেশের বিরুদ্ধে নয়'। তবুও দক্ষিণ কোরিয়া বেইজিং ও মস্কোর কাছে আপত্তি জানিয়েছে এবং পুনরাবৃত্তি রোধের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।






























