চীন বলেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর, তারা নিজস্ব স্বার্থ রক্ষা করবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, যা চীনের অর্থনৈতিক অংশীদার ইরানের অর্থনীতিকে ক্ষতি করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চীন বারবার বলেছে যে তারা নিষেধাজ্ঞাকে বিরোধিতা করে এবং নিজের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করবে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যাতে বিশ্বব্যাপী সরকারগুলিকে মার্কিন অর্থনৈতিক প্রচারণায় যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। চীন বলেছে যে তারা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে এবং তারা নিজের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা সবসময় আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে চলে আসছে এবং চীন বলেছে যে এই সহযোগিতায় কোনও ব্যঘাত ঘটানো উচিত নয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন যে চীন ও ইরানের মধ্যে সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে চলে আসছে এবং এতে কোনও ব্যঘাত ঘটানো উচিত নয়। তিনি আরও বলেছেন যে চীন নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে এবং নিজের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল গ্রাহক দেশ এবং হর্মুজ প্রণালীর অবরোধের কারণে চীন সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে।
ইরান দশক ধরে নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলা করে আসছে এবং জটিল আন্তর্জাতিক আর্থিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সীমাবদ্ধতা এড়িয়ে চলেছে। যুদ্ধের আগে, ইরান মিলিয়ন ব্যারেল তেল রফতানি করতে থাকে, যার বেশিরভাগই চীনে যেত। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেছেন যে নতুন নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যে চীনের ব্যাঙ্কগুলিকে লক্ষ্য করা হবে না।
চীন ও ইরানের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে চলে আসছে এবং চীন বলেছে যে এই সহযোগিতায় কোনও ব্যঘাত ঘটানো উচিত নয়। চীন নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে এবং নিজের অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষা করবে। চীন ইরানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল গ্রাহক দেশ এবং হর্মুজ প্রণালীর অবরোধের কারণে চীন সরাসরি প্রভাবিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ কারণ চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।





























