প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (তথ্য ও সম্প্রচার) ডাঃ জাহেদ উর রহমান আজ বলেছেন, দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। বরং চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট স্টক রয়েছে। তিনি বলেন, কিছু অঞ্চলে বিতরণ প্রক্রিয়ায় সমস্যা রয়েছে। সরকার অস্থায়ী সমস্যাগুলো সমাধানে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সংবাদ ব্রিফিং কক্ষে সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই বক্তব্য রাখেন তিনি।
সার পরিস্হিতি ও আন্তর্জাতিক বাজারের চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে ডাঃ জাহেদ বলেন, দেশে যথেষ্ট সারের স্টক রয়েছে। কৃষকরা কোনো অসুবিধায় পড়বে না তা নিশ্চিত করতে বড় পরিমাণ সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
সরকারি কেনার মন্ত্রিপরিষদ কমিটি সোমবার ৩৬৫,০০০ মেট্রিক টন সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে। এর আগের সপ্তাহে কানাডা, রাশিয়া ও সৌদি আরব থেকে আরও ১১৫,০০০ মেট্রিক টন সার কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছিল।
দেশে বর্তমান সারের স্টক
ডাঃ জাহেদ বলেন, দেশে বর্তমানে মোট ১৩.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন সার রয়েছে। এর মধ্যে ৪.৮২ লক্ষ টন ইউরিয়া, ৩.৬৯ লক্ষ টন টিএসপি, ৩.৬৮ লক্ষ টন ডিএপি এবং ১.৪৬ লক্ষ টন এমওপি রয়েছে।
ছাড়াও বড় পরিমাণ সার আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করা হচ্ছে এবং চূড়ান্ত অনুমোদনের কাজ চলছে।
বিতরণ ব্যবস্হায় পরিবর্তন
বিতরণ ব্যবস্হায় অনিয়ম ও কিছু অঞ্চলে অস্থায়ী ঘাটতি নিয়ে ডাঃ জাহেদ বলেন, কৃষক ও জনগণের স্বার্থে বিতরণ ব্যবস্হায় কিছু নির্দিষ্ট পরিবর্তন আনা হচ্ছে।
কিছু ডিলার তাদের বরাদ্দকৃত সার সময়মতো সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হওয়ায় অস্থায়ী অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল। দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের স্থানান্তর সহ দায়ি ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বিশ্ব বাজারের কথা তুলে ধরে ডাঃ জাহেদ বলেন, বিশ্বের ২৫ শতাংশ সার পরিবহন হরমুজ প্রণালী দিয়ে হয়ে যায়। মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা ও এল নিনোর মতো প্রাকৃতিক অনিশ্চিততার কারণে ঝুঁকির কথা বিবেচনায় সরকার খাদ্য নিরাপত্তার নিরাপত্তা জাল বজায় রাখতে অবিচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করছে।







































