ইরানের বিপ্লবী গার্ড বলেছে যে হর্মুজ প্রণালীর কাছে একটি তেল ট্যাঙ্কার দুটি নৌ মাইনে ধরা পড়ার পর আগুন ধরে গেছে। বিপ্লবী গার্ডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'হর্মুজ প্রণালীর দক্ষিণে অবৈধ রুট দিয়ে যাচ্ছি একটি দুষ্টু তেল ট্যাঙ্কার দুটি নৌ মাইনে ধরা পড়ার পর বড় আকারে আগুন ধরে গেছে এবং সম্পূর্ণভাবে থমকে গেছে।'
হর্মুজ প্রণালী হল পারস্য উপসাগরের মূল উপকূলীয় প্রবেশপথ, যেখান দিয়ে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি তেল সরবরাহ করা হয়। এই অঞ্চলটি খুবই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়ই আন্তর্জাতিক উত্তেজনার কারণ হয়ে থাকে।
নৌ মাইন হল এক ধরনের অস্ত্র যা জাহাজগুলিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য জলের নীচে বা পৃষ্ঠের কাছাকাছি স্থাপন করা হয়। এগুলি বিভিন্ন আকার এবং ক্ষমতার হতে পারে এবং জাহাজ বা অন্য যানবাহনের মাধ্যমে অথবা দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সক্রিয় করা যেতে পারে।
ইরানের বিবৃতি অনুসারে, এই ঘটনায় কোনও মানুষের ক্ষতি হয়নি বলে জানা গেছে। তবে, ট্যাঙ্কারটির ক্ষতির পরিমাণ এবং তা কতক্ষণ চলাচল বন্ধ থাকবে তা এখনও অনিশ্চিত।
এই ঘটনাটি ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনার আরও একটি কারণ হিসেবে কাজ করতে পারে। দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা বিরাজমান রয়েছে, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে।
বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য, এই ঘটনাটি বিশ্বের তেল সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদি হর্মুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে বিশ্বের অনেক দেশের তেল মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে বাংলাদেশের মতো আমদানিকারী দেশগুলিতে তেলের দাম বেড়ে যেতে পারে।







































