নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ভোটার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৮,৭৭৭,৬৪৩-এ। এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬৫,৫১০,৬৬৫ জন, মহিলা ভোটার ৬৩,২৬৫,৭১১ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১,২৬৭ জন। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আক্তার আহমেদ জানিয়েছেন, জুলাইয়ের শেষ নাগাদ শেষ হওয়া ভোটার নিবন্ধনের ভিত্তিতে এই ভোটার তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
আক্তার আহমেদ বলেন, গত বছরের মে মাসের ১৪ তারিখে যে প্রাথমিক ভোটার সংখ্যা দেওয়া হয়েছিল, তার তুলনায় এই সংখ্যা ৪৫৪,৪০৩ জন বেড়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা এই ভোটার তালিকা নিয়েই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাব।'
এই ভোটার তালিকা নির্বাচন কমিশনের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি নির্বাচন প্রক্রিয়ার ভিত্তি। ভোটার তালিকা নির্ভুল হলেই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক হয়। ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া একটি ইতিবাচক চিহ্ন যা দেখায় যে দেশের নাগরিকরা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি অংশগ্রহণ করছে।
নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা নিয়ে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয় যাতে ভোটার তালিকা নির্ভুল হয়। এর মধ্যে রয়েছে ভোটার নিবন্ধনের জন্য বিভিন্ন কেন্দ্র খোলা, ভোটার তালিকায় নাম যোগ করার জন্য অনলাইন প্রক্রিয়া চালু করা এবং ভোটার তালিকায় নাম যোগ করার জন্য প্রচারণা চালানো।
ভোটার তালিকায় নাম যোগ করার জন্য নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালায়। এর মধ্যে রয়েছে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসূচির আয়োজন, মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে প্রচারণা চালানো। এই প্রচারণার মাধ্যমে নাগরিকদের ভোটার তালিকায় নাম যোগ করার গুরুত্ব বুঝানো হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন যারা স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিকদের স্বার্থে কাজ করেন। ভোটার তালিকা নির্ভুল হলেই এই নির্বাচন প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক হয়।
সুতরাং, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া একটি ইতিবাচক বিষয় যা দেখায় যে দেশের নাগরিকরা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আরও বেশি অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা নিয়ে গৃহীত পদক্ষেপ এবং প্রচারণা চালানো ভোটার তালিকা নির্ভুল করতে সাহায্য করেছে।







































