নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ভোটার তালিকা পাওয়ার আগ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা আগেই যোগান দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু এখনো তা পাওয়া যায়নি।
নির্বাচনের সময়সূচি ও সূত্র
নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা থেকে ভোটদানের দিন পর্যন্ত সাধারণত ৪৫ দিনের সময় লেগে যায়। এই সময়কালটি ভোটার তালিকার আপডেট এবং অন্যান্য প্রস্তুতি বিবেচনা করে পিছিয়ে গণনা করা হয়।
আখতার আহমেদ বলেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং ভোটিং কেন্দ্রগুলো তৈরি করা হয়েছে। যদি প্রয়োজন হয় ভোটার তালিকার আপডেটের মেয়াদ বর্ধন করা যেতে পারে। তালিকা আপডেটের জন্য প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে যাতে ঘোষণার পর তাৎক্ষণিক কাজ শুরু হতে পারে।
জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সংশোধন সম্পর্কে তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট কাজের ধারাবাহিকতা (এসওপি) এখনো নির্ধারিত হয়নি।
বয়স সংশোধনের জন্য আবেদনকারীরা প্রায়শই শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে তাদের বয়স কমানোর জন্য অনুরোধ করে, যা ভোটার তালিকায় বিরূপ প্রভাব ফেলে। বয়স সংশোধনের জন্য পিএসসি, জেএসসি বা এসএসসির মতো সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে গ্রহণ করা হতে পারে।
সংশোধনের প্রস্তাবনা
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণের নিয়ম এবং আইন সংশোধনের প্রস্তাবনা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং ঋণ অদায়কারীদের সম্পর্কে বিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, প্রস্তাবনাটি আইন মন্ত্রক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানো হবে।
রাজনৈতিক দলগুলোর অডিট রিপোর্টের জমা দেয়ার মূল মেয়াদ ছিল ৩১ জুলাই, কিন্তু শুক্রবার তা পড়েছিল বলে কমিশন ২ আগস্ট পর্যন্ত রিপোর্ট গ্রহণ করেছে।
নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩৮টি তাদের অডিট রিপোর্ট জমা দিয়েছে, ১৩টি মেয়াদ বর্ধনের অনুরোধ করেছে, অবশিষ্ট ৮টি দল কোনো উত্তর দেয়নি এবং তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী নোটিশ পাঠানো হবে।





























