ধর্ম মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কাইকোবাদ আজ তার মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে নির্বিঘ্নে হজ্জ অভিযানের জন্য সকলের সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যাতে তারা হজ্জযাত্রীদের কাছে কোনো অন্যায় না ঘটে। ব্যক্তিগত হজ্জ এজেন্সিগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালনে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রী কাইকোবাদ বলেছেন, ২০২৭ সালের হজ্জ অভিযানের জন্য হজ্জ যাত্রী কোটা ৩০টি জোট ও প্রধান এজেন্সির মধ্যে বিতরণ করা হবে। তিনি ব্যক্তিগত হজ্জ এজেন্সিগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে বলেছেন যাতে কোনো হজ্জযাত্রী অসুবিধার সম্মুখীন না হন। মন্ত্রী জোর দিয়েছেন যে, যদি কোনো ভুল বা অসুবিধা দেখা দেয় তাহলে সমস্যার দ্রুত সমাধানে মনোনিবেশ করা উচিত।
তিনি সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয়ে কাজ করার জন্য জোর দিয়েছেন এবং সৌদি আরবের নিয়ম ও নিয়ন্ত্রণ অনুসরণ করে হজ্জ অভিযান পরিচালনার জন্য বলেছেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৭ সালের নিবন্ধিত হজ্জ কোটার বেশিরভাগ অংশ ব্যক্তিগত হজ্জ এজেন্সি দ্বারা পরিচালিত হবে। সেজন্য তাদের কাজ সহজতর করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: হজ্জ অভিযানের জন্য বাংলাদেশের কোটা কত? উত্তর: ধর্ম বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কাইসার বলেছেন যে, সৌদি সরকারের নির্ধারিত প্রাথমিক বণ্টন অনুযায়ী বাংলাদেশের হজ্জ কোটা বর্তমানে ৭৮,৫০০ হজ্জযাত্রী।
প্রশ্ন: হজ্জ অভিযানে কী ধরনের সহযোগিতা প্রয়োজন? উত্তর: মন্ত্রী কাইকোবাদ বলেছেন যে, সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয়ে কাজ করা এবং সৌদি আরবের নিয়ম অনুসরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন: ব্যক্তিগত হজ্জ এজেন্সিগুলোর কী দায়িত্ব? উত্তর: ব্যক্তিগত হজ্জ এজেন্সিগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে যাতে কোনো হজ্জযাত্রী অসুবিধার সম্মুখীন না হন।





































