চীফ হুইপ মোঃ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ, কোনও সংসদ সদস্য যদি তার দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দেন, তাহলে তার সংসদ সদস্যপদ হারানোর আশঙ্কা থাকবে। তিনি এ মন্তব্য করেন জাতীয় সংসদ ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে। বৈঠকে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ ও প্রক্রিয়া
মোঃ নুরুল ইসলাম মনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থী প্রত্যাহারের শেষ তারিখ হবে ১৮ আগস্ট রাত। তিনি জানান, শাসক দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থীর নাম এখনও চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী নাম ঘোষণা করবেন এবং মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন তা ঘোষণা করা হবে।
নির্বাচনের বিভিন্ন ব্যবস্থা
চীফ হুইপ বলেছেন, নির্বাচনটি মুক্ত, নিরপেক্ষ এবং পরিষ্কার রাখার জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাদের আসন ও বিভাগ নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণের সময় মিডিয়াকে লাইভ সম্প্রচারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নুরুল ইসলাম মনি জানান, সংসদে মোট ৩৪৯ জন ভোটার রয়েছেন। যদি ভোটগ্রহণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হবে। যদি ভোটগ্রহণ অসম্পূর্ণ থাকে, তাহলে কর্তৃপক্ষ ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে ফলাফল ঘোষণা করবে।
চীফ নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং অফিসার হিসেবে কাজ করবেন এবং নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন। সংসদ সচিবালয় থেকে সচিবালয়ের সহায়তা দেওয়া হবে।




























