নিউজিল্যান্ডের ফরেন অ্যাফেয়ার্স এন্ড ট্রেড মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের নীতি বৈঠকে বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের সক্রিয় সমর্থন চেয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশ আঞ্চলিক ব্যাপক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব (আরসিইপি)-এ সদস্যপদ, এলডিসি গ্রেডুয়েশনের তিন বছর বর্ধিত সময় এবং নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য নিউজিল্যান্ডের সমর্থন চেয়েছে।
নিউজিল্যান্ডের ট্রেড নেগোসিয়েশনস এন্ড পলিসি ডিভিশন থেকে ডিভিশন ম্যানেজার সারা মেইমান্ড এবং ইউনিট ম্যানেজার জোনাস হল্যান্ড অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে বাণিজ্য সচিব এমডি আতাউর রহমান খান এবং ফরেন ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) উইং-এর আলােচ্য বিষয়ক আধিকারিকরা ছিলেন। ওয়েলিংটনে বাংলাদেশ হাই কমিশনের কাউন্সেলর ইশতিয়াক আহমেদও ছিলেন।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল নিউজিল্যান্ডের সরকার এবং বাণিজ্য মন্ত্রীর কাছে নিউজিল্যান্ডের সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য শ্রদ্ধা জানিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক কূটনীতি, বিনিয়োগ, বাজার সম্প্রসার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে অধিক সহযোগিতার জন্য নিউজিল্যান্ডের সমর্থন চেয়েছে।
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডের কাছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের ১৪তম সম্মেলনের আগে বাণিজ্য মন্ত্রীদের মধ্যে আলোচনার ভিত্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এফটিএ আলোচনা শুরু করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
বৈঠকের শেষ দিকে বাংলাদেশ তিনটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব উত্থাপন করেছে। প্রথমত, বার্ষিক দ্বিপাক্ষিক ট্রেড পলিসি কনসালটেটিভ গ্রুপ গঠন করে পোস্ট-এলডিসি বাজার অ্যাক্সেস এবং আরসিইপি-এর অধীনে বাণিজ্যিক স্বার্থ পর্যালোচনার জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, এফটিএ আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে উভয় দেশের মধ্যে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। তৃতীয়ত, নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী মিশনগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদার করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল নিউজিল্যান্ডের একটি নীতি-পর্যায়ের প্রতিনিধি দলকে শীঘ্রই বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ এই আমন্ত্রণে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।





























