বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য নীতি সহায়তার আবেদনের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নীতি সহায়তার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন জমা দিতে পারবে। বিবি এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসায়িক ও আর্থিক পুনর্গঠনের জন্য নীতি সহায়তা নিশ্চিত করা যায়।
বিবি নির্দেশনায় বলা হয়েছে যে, বিবি সার্কুলার নং ০৭ অনুযায়ী নীতি সহায়তার জন্য আবেদনকারীরা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাদের নিজ নিজ ব্যাংকে আবেদন জমা দিতে পারবে। যারা পূর্বে নীতি সহায়তা পেয়েছে তারাও নতুন আবেদন জমা দিতে পারবে।
১০০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ নিয়ে থাকা ঋণগ্রহীতাদের জন্য ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জন্য পুনর্গঠনের সুযোগ দিতে পারবে। এর মধ্যে ২ বছরের সর্বোচ্চ ছাড় সময় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো বিবি সার্কুলার নং ১৬ অনুযায়ী অতিরিক্ত ৪ বছর পর্যন্ত সময় দিতে পারবে।
১০০০ কোটি টাকা থেকে কম ঋণ নিয়ে থাকা ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিবি সার্কুলার নং ০৭ অনুযায়ী পুনর্গঠনের সুযোগ দেওয়া হবে। বিবি বলেছে যে, পূর্বে নীতি সহায়তা পেয়েছে এমন ঋণগ্রহীতারাও নতুন নির্দেশনার সুবিধা পাবে।
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত জমা দেওয়া নতুন আবেদনগুলোর জন্য অশ্রেণীকৃত ঋণ (এসটিডি-০, এসটিডি-১, এসটিডি-২ এবং এসএমএ) পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে, শ্রেণীকৃত ঋণ (এসএস, ডিএফ এবং বি/এল) বিশেষ পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে।
ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় অগ্রিম পরিশোধ সংগ্রহ করে সমস্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। এই নির্দেশনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ধারা ৪৯(১)(চা) অনুযায়ী জারি করা হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের জন্য আর্থিক পুনর্গঠনের সুযোগ তৈরি করতে সহায়তা করবে।





































