ইরানের রাষ্ট্রপতি মসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন যে আমেরিকার সঙ্গে আরও যুদ্ধ ইরানের স্বার্থে নয়। দু’দেশের মধ্যে ছয় মাসের যুদ্ধের পর শান্তির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘আমরা চুক্তি ও বুঝাপড়ার পথে চলতে চাই এবং মনে করি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া না ইরানের স্বার্থে নয়, না এলাকার।’
সাম্প্রতিক যুদ্ধের বিবরণ
সোমবার ইরান হোরমুজ প্রণালীর এক দ্বীপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের প্রতিশোধ নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানগুলোতে আক্রমণ করেছিল। এর ফলে প্রধান হস্তিত্বের যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে যে তারা ইরানের দ্বীপ লারাকে আক্রমণ করেছিল যাতে তেহরান খালিপথে মাইন লাগাতে না পারে।
ইরান সোমবার জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে মার্কিন বাহিনীতে আঘাত হানার কথা স্বীকার করেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বলেছে যে তারা জর্ডানের দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জর্ডানের সেনাবাহিনী বলেছে যে তারা আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে যদিও তারা তাদের উৎস নির্দেশ করেনি।
অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধ্যক্ষ ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ কে সামরিক কাজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। ট্রাম্প সোমবার তার ট্রুথ সোশাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন যে ইরান ‘আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ব্যর্থ জাতি’।
দুই দেশ হোরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই করছে। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর পথ বন্ধ করে রেখেছে এবং জাহাজগুলো আক্রমণ করেছে। বিশ্বের এক পঞ্চমাংশ তেল এই প্রণালী দিয়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে যে তার নৌবাহিনীর ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং এটিকে মার্কিন অঞ্চল বলে অভিহিত করেছে।
কূটনৈতিক প্রচেষ্টা, যার মধ্যে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, মাসখানেক ধরে যুদ্ধ বন্ধ করার চেষ্টা করে আসছে। এপ্রিলে একটি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং জুনে একটি চূড়ান্ত শান্তি চুক্তির জন্য একটি মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তবে কোনো চুক্তি হয়নি।





































