ভোলা ও আশেপাশের জেলাগুলোতে হিলসার বহুল পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। মৌসুমি মাছের চাহিদা মেটানোর পর ব্যবসায়ীরা রপ্তানির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অঞ্চলের নদীগুলোতে হিলসার মাছ ধরা হচ্ছে।
গত দুই সপ্তাহ ধরে জেলেরা তাদের জালে বড় ও মাঝারি আকারের হিলসা পাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন যে হিলসার পরিমাণ বেড়ে গেলে দেশের চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত হিলসা রপ্তানি করা হবে।
জেলেরা মেঘনা, তেতুলিয়া, কালাবাদোর, বেতুয়া, বুড়াগৌরাঙ্গা এবং ইলিশা নদীতে হিলসা ধরছেন। নদী অঞ্চলের জেলে, নিলামকারী, ক্রেতা এবং খুচরা মাছ বিক্রেতারা হিলসার উপলব্ধি বৃদ্ধিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।
হিলসার দাম কমেছে
হিলসার উপলব্ধি বৃদ্ধির কারণে দাম কমেছে। গত কয়েক দিন আগে ৫০০ গ্রামের হিলসার দাম ছিল ৬০০ টাকা, যা এখন ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৮০০ গ্রামের হিলসার দাম ১,১০০ টাকা থেকে নেমে এসেছে ৭০০ টাকায়।
বিরাট আকারের হিলসা ধরা হচ্ছে
মেঘনা নদীতে ২.৫ থেকে ৩.৫ কিলোগ্রাম ওজনের বিরাট আকারের হিলসা ধরা হচ্ছে। গত রবিবার (আগস্ট ৩০) দুটি এই ধরনের হিলসা নিলামে ১৫,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।
মোনপুরা উপজেলার মৎস্য অফিসার জয়ন্ত কুমার ওপু বলেছেন, মেঘনায় হিলসার অভাব ছিল, তবে এখন বড় আকারের হিলসা ধরা হচ্ছে যা আশাবাদী ব্যাপার।
রপ্তানির প্রস্তুতি
চরফ্যাসনের সমরাজ ফিশ পোর্টে বড় আকারের হিলসার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্য বিভাগের মতে, ভোলায় এই মৌসুমে হিলসা উৎপাদনের লক্ষ্য ১৮৯,০০০ থেকে ১৯২,০০০ মেট্রিক টন। জেলায় ১৭১,০০০ নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন এবং আরও ২০০,০০০ জেলে অনিবন্ধিত হিসেবে ধরা হয়েছে।
ভোলা জেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন বলেছেন, নদীগুলোতে বড় আকারের হিলসা ধরা হচ্ছে। যদি জেলেরা আরও সচেতন হন এবং মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা মেনে চলেন তাহলে হিলসার উৎপাদন ও আকার বৃদ্ধি পাবে।







































