জাকার্তা থেকে নিকটবর্তী এলাকা থেকে আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন পাঁচজন সাংবাদিক সহ সাতজন ব্যক্তি। জাতীয় উদ্ধারকারী সংস্থা জানিয়েছে যে তাদের খোঁজ চলছে। দলটি সোমবার দুপুরে জাকার্তা থেকে নিকটবর্তী এক জায়গা থেকে একটি স্পিডবোটে করে ছিল যাত্রা কিন্তু এখনও ফিরে আসেনি এবং নৌকা মালিকের কাছে কোনও খবর পৌঁছানো হয়নি।
পাঁচজন ইন্দোনেশীয় সাংবাদিক স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা, যেমন রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনতারা, তুর্কি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এবং স্থানীয় ওয়েবসাইট আইনিউজের হয়ে আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের ছবি এবং ভিডিও তোলার জন্য গিয়েছিলেন। বিস্ফোরণটি শনিবার থেকে শুরু হয়েছিল যা বেশ কয়েকটি বিমানবন্দরকে অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছে এবং জাকার্তা এবং প্রতিবেশী শহরগুলিকে আগ্নেয়গিরির ছাইয়ের মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
সাংবাদিকদের মধ্যে একজন সোমবার দুপুর ৩টার দিকে এক সহকর্মীকে ফোন করে তার অবস্থান জানিয়েছিলেন কিন্তু তার পর থেকে কোনও খবর পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী, পুলিশ এবং স্পিডবোটের মালিক সংস্থা খোঁজ অভিযানে জড়িত রয়েছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দ্বীপপুঞ্জে সামুদ্রিক দুর্ঘটনা একটি নিয়মিত ঘটনা, যা অংশত অসুরক্ষিত নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং খারাপ আবহাওয়ার কারণে ঘটে। জানুয়ারিতে, পূর্ব ইন্দোনেশিয়ার কাছে একটি নৌকা ডুবে তিন স্পেনীয় পর্যটক মারা গিয়েছিলেন এবং এক ১০ বছর বয়সী ছেলে অফিসিয়ালি নিখোঁজ হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছিল, অনুমান করা হয় তিনি মারা গেছেন কারণ কর্তৃপক্ষ তার খোঁজ বন্ধ করে দিয়েছে।
এই ঘটনাটি ইন্দোনেশিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ইঙ্গিত দেয় যে দেশটির মিডিয়া বাহিনী কতটা ঝুঁকি নেয়ার জন্য তৈরি। এছাড়াও, ইন্দোনেশিয়ায় নিরাপত্তার মান উন্নত করা প্রয়োজন যাতে এই ধরনের ঘটনা আর ঘটে না। বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা যে মিডিয়া বাহিনীর কাজ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।































