বাংলাদেশের অর্থনীতি আগস্টে ধৈর্য্য দেখিয়েছে, কৃষি খাত বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নির্মাণ খাত পুনরায় বৃদ্ধি অর্জন করেছে। সর্বশেষ বাংলাদেশ পার্চেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) অনুযায়ী, মোট পিএমআই ছিল ৪৯.৯, যা জুলাইয়ের ৫৭.৮ থেকে ৭.৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। তবে কৃষি খাত ১২তম মাস ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নির্মাণ খাত ৫২.৪-এ পৌঁছেছে।
কৃষি খাতের ধারাবাহিক বৃদ্ধি
কৃষি খাতের পিএমআই আগস্টে ১.৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫৬.৫-এ উঠেছে। নতুন ব্যবসা এবং ব্যবসায়িক কার্যকলাপ বৃদ্ধির সাথে সাথে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি খাত ১২তম মাস ধরে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস।
নির্মাণ খাতে পুনরুদ্ধার
নির্মাণ খাত আগস্টে পুনরায় বৃদ্ধি অর্জন করেছে, পিএমআই ৫২.৪-এ পৌঁছেছে। নির্মাণ কার্যকলাপ এবং কর্মসংস্থান উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে, যা খাতটিতে নতুন গতি নির্দেশ করে।
যদিও উৎপাদন খাতের মধ্যে মারিচ ছিল, তবে এটি অস্থায়ী চ্যালেঞ্জ ছিল। উৎপাদন খাতের পিএমআই ১৮ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ৪৭.৪-এ নেমে এসেছে। ইনপুট মূল্য বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং অর্ডার ব্যাকলগ হ্রাস পেয়েছে।
পরিষেবা খাতের হ্রাস
পরিষেবা খাত আগস্টে ৪৯.২ পিএমআই দিয়ে সংকোচনে প্রবেশ করেছে। ২২ মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো সংকোচন হলেও নতুন ব্যবসা এবং ব্যবসায়িক কার্যকলাপ ধীর গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইনপুট মূল্য এবং অর্ডার ব্যাকলগ হ্রাস পেয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আগামী মাসগুলো নিয়ে সাবধানতার সাথে ইতিবাচক প্রত্যাশা বজায় রেখেছেন। অনেকে বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতিকে সন্তোষজনক বলে মনে করেছেন এবং আরও উন্নতির আশা করেছেন। তারা কম ব্যবসায়িক খরচ, শক্তিশালী আর্থিক সহায়তা এবং আরও সহায়ক নীতি পরিবেশকে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।






























