পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন রাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষ রোপণকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয়কর প্রভাব মোকাবেলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বৃক্ষ রোপণকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাষ্ট্রমন্ত্রী এই মর্মে মন্তব্য করেন যখন তিনি জাতীয় বৃক্ষ রোপণ কোষের সহায়ক টাস্কফোর্সের তৃতীয় বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকটি 'পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ' কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য গঠিত হয়েছিল। বৈঠকটি বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রণালয়ের বৈঠক কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বিভিন্ন অফিস, সংস্থা এবং বেসরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোকে পরস্পর সমন্বয়ে কাজ করতে হবে যাতে সরকারের 'পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ' কর্মসূচির সাফল্য নিশ্চিত হয়। রাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিটি অঙ্কুরের যথাযথ যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং বেঁচে থাকার হার নজরদারির জন্য জোর দিয়েছেন।
তিনি স্থানীয় আবহাওয়া, মাটির গুণমান এবং পরিবেশগত অবস্থার সাথে মানানসই স্থানীয় ফল, বন ও ঔষধি গাছের প্রজাতি রোপণের জন্য জোর দিয়েছেন। বৈঠকে জানানো হয়েছে যে, ২০২৬ সালে মোট ৫ কোটি ১৪ লক্ষ ৮৮ হাজার ৯৩০টি অঙ্কুর রোপণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়াও, বিভিন্ন অন্যান্য মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা এবং এনজিওগুলো নিজ নিজ লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে অঙ্কুর রোপণ করছে। বৈঠকে জানানো হয়েছে যে, এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা আগামী ডিসেম্বরে উপকূলীয় অঞ্চলে ম্যানগ্রোভ প্রজাতি রোপণের মাধ্যমে পূরণ করা হবে। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, অফিস ও বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা হবে এবং দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শক্তি যুক্ত হবে।

































