বাংলাদেশের ভারতে রপ্তানি বর্তমান অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ৭.৬৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। জুলাই-আগস্টে দেশটি ভারতে ৩৩৫.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩.৯ মিলিয়ন ডলার বেশি।
রপ্তানি প্রচারণা ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, বর্তমান অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি ৯.১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি।
ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বাজার। ফলে ভারতে রপ্তানির বৃদ্ধি উভয় দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য প্রসারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে।
অন্যান্য বাজারেও রপ্তানি বৃদ্ধি
ভারতের পাশাপাশি অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাজারেও বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ১১.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। স্পেনে রপ্তানি ১১.৭০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩৮.৫ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
যুক্তরাজ্যে রপ্তানি ৪.৫৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯৭০.৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। নেদারল্যান্ডসে রপ্তানি ৫.৮২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৯৩.৫ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কানাডায় রপ্তানি ৩.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২৭৯.৩ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
নতুন বাজারে সম্প্রসারের সুযোগ
উদীয়মান বাজারগুলোতেও বাংলাদেশের রপ্তানি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তুরস্কে রপ্তানি ৮৭.১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৮.৯ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে রপ্তানি ১৯.৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৭৪.২ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মেক্সিকোতে রপ্তানি ১৫.৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
সুইডেনে রপ্তানি ১২.০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩০.৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। অস্ট্রেলিয়ায় রপ্তানি ২.৫১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৬৪.৯ মিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
আগস্টে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ১৩.১৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪.৪৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। ভারত বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ কারণ তার বৃহৎ বাজার, ভৌগোলিক সন্নিহিততা এবং উভয় দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সংযোগের জন্য।
আঞ্চলিক এবং উদীয়মান বাজারগুলোতে বাংলাদেশী পণ্যের উপস্থিতি বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে নন-ট্রাডিশনাল পণ্য যেমন প্লাস্টিক পণ্য, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, জুট ও জুট পণ্য এবং চামড়ার পণ্যসহ প্রস্তুত পোশাকের রপ্তানি বৃদ্ধি করা যেতে পারে।

































