বাংলাদেশ ও ভারত বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন গতির জন্য আরও বেশি সহযোগিতার জন্য চুক্তি করেছে। বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দুই দেশের ভৌগোলিক কাছাকাছি থাকার সুযোগ গ্রহণ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক উন্নতি করা যেতে পারে।
বিনিয়োগ ও অবকাঠামো ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব
বাণিজ্য মন্ত্রী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক বাধা দূর করা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং অবকাঠামো ও নতুন প্রযুক্তি ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন। তিনি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সংযোগ বৃদ্ধির গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
মন্ত্রী বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে ভিসা-সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদী ভিসার ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। তিনি ভারতীয় শিল্প সংস্থা কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রি (সিআইআই)-এর প্রতিনিধিদলের সাথে এক বৈঠকে এই মন্তব্য করেছেন।
অবকাঠামো ও উচ্চ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতার প্রস্তাব
সিআইআই দুই যৌথ কাজের দল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। একটি কাজের দল অবকাঠামো ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ ও বেসরকারি-সরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) বৃদ্ধিতে কাজ করবে। অন্যটি ভবিষ্যৎ-মুখী শিল্প যেমন সেমিকন্ডাক্টর, গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি স্টোরেজ এবং ডেটা সেন্টারের উপর কাজ করবে।
সিআইআই বলেছে, গত বছর ভারতের অবকাঠামো খাতে প্রায় ২৫ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে, যার উল্লেখযোগ্য অংশ বেসরকারি খাত থেকে এসেছে। বাংলাদেশও ভারতের অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে ঘরোয়া এবং বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে পারে।
সিআইআই আরও বলেছে, বাংলাদেশের স্থানীয় উৎপাদন ক্ষমতা ব্যবহার করে স্থানীয় শিল্প শক্তিশালী করা উচিত। স্থানীয় উৎপাদন শক্তিশালী করলে আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করা যেতে পারে।




























