মংলা বন্দরের হরবারিয়া-৭ এলাকায় একটি জাহাজে শুল্ক অফিসাররা ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১,১৭৪ টন অতিরিক্ত স্ল্যাগ আবিষ্কার করেছে। জাতীয় আয়কর বোর্ড (এনবিআর) আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে।
এনবিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বশুন্ধরা রেডিমিক্স অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড কর্তৃক আমদানি করা স্ল্যাগ বহনকারী জাহাজ এমভি আনাসা ১ সেপ্টেম্বর মংলা বন্দরে পৌঁছেছিল। জাহাজের বোর্ডে ২৪,০০০ মেট্রিক টন স্ল্যাগ রয়েছে বলে বিল অফ লেডিং-এ ঘোষণা করা হয়েছিল।
শুল্ক অফিসাররা জাহাজের শিপিং এজেন্ট এবং সার্ভে/মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে প্রাথমিকভাবে একটি হালকা লোড সার্ভে পরিচালনা করে। সার্ভেতে জাহাজের বোর্ডে প্রায় ২৫,৪৬৪.৬৮২ মেট্রিক টন পণ্য খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল।
আমদানিকারক এবং জাহাজের সাথে জড়িত পক্ষগুলোর আপত্তির পর শুল্ক কর্তৃপক্ষ পুনরায় একটি যৌথ পুনঃসার্ভে পরিচালনার উদ্যোগ নেয়। পরবর্তী হালকা ড্রাফ্ট সার্ভে চূড়ান্তভাবে ২৫,১৭৪.৭২৪ মেট্রিক টন স্ল্যাগ পাওয়া গিয়েছিল, যার ফলে ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে ১,১৭৪ টন অতিরিক্ত পণ্য আবিষ্কৃত হয়েছিল।
এনবিআর বলেছে যে অতিরিক্ত পণ্যের জন্য প্রাথমিকভাবে আনুমানিক সম্ভাব্য রাজস্ব চোরাই প্রায় ৩,৪২১,৯৭১ টাকা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, শুল্ক অফিসারদের তথ্য-ভিত্তিক বিশ্লেষণ, নজরদারি এবং আমদানিকৃত পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ যাচাই করার ক্ষমতার কারণে ঘোষিত এবং প্রকৃত পণ্য পরিমাণের মধ্যে পার্থক্য সনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
এই আবিষ্কার মংলা বন্দরে শুল্ক অফিসারদের নজরদারি এবং পণ্য পরিমাণ যাচাই করার ক্ষমতার প্রমাণ। এটি দেখায় যে শুল্ক কর্তৃপক্ষ কতটা নজরদারি করে এবং কীভাবে প্রকৃত পণ্য পরিমাণ যাচাই করে। এর ফলে রাজস্ব চোরাই প্রতিরোধ এবং বন্দরে পণ্য আমদানির স্বচ্ছতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।
























