জাতীয় সংসদের উপ-স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের পার্লামেন্টারি সহযোগিতা অভিজ্ঞতা বিনিময় ও পার্লামেন্টারি কার্যকলাপ আধুনিকীকরণে উৎসাহ যোগাতে পারে।
জাতীয় সংসদ ভবনে ভারতের হাইকমিশনার ডিনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে উপ-স্পীকারের সাক্ষাতের সময় এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পার্লামেন্টারি কূটনীতি, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার, পার্লামেন্টারি কার্যকলাপ আধুনিকীকরণ ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে।
ডিনেশ ত্রিবেদী জাতীয় সংসদ ভবনের স্থাপত্য নকশার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি দুই দেশের মধ্যে পার্লামেন্টারি যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য জোর দিয়েছেন।
কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম প্রবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে এবং তিনি আশা করেন ভারত এ ব্যবস্থা সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে। তিনি ডিনেশ ত্রিবেদীর মতো অভিজ্ঞ সংসদ সদস্যকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে পাওয়া এক অসাধারণ সুযোগ বলে উল্লেখ করেছেন।
উপ-স্পীকার আশা করেছেন যে ত্রিবেদী দুই দেশের মধ্যে পার্লামেন্টারি যোগাযোগ ও বাংলাদেশের পার্লামেন্টারি ব্যবস্থা আধুনিকীকরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পার্লামেন্টারি কূটনৈতিক সহযোগিতার জন্য সুযোগ রয়েছে।
দুই পক্ষ আশা করেছে যে বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে। তারা মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র বৃদ্ধি ও পারস্পরিক বিশ্বাস, আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও শক্তিশালী করার কথা বলেছে।
সাক্ষাতের সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরোয়ার ভুইঁয়া, ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার ও সংশ্লিষ্ট আলােচকরা উপস্থিত ছিলেন।

















