সরকার জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত এবং কার্যকর জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনতে ২৫ সদস্যের 'জাতীয় জলবায়ু অর্থনীতি কমিটি (এনসিসিএফ)' গঠন করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইস-চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডাঃ এমডি সাইমুম পারভেজ কমিটির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রধান সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব, বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, শক্তি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সড়ক পরিবহন ও সেতু বিভাগের সচিব, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাহাজ মন্ত্রণালয়ের সচিব, রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জলসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব।
এই উচ্চপর্যায়ের কমিটি জলবায়ু অর্থনীতি এবং কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি, লক্ষ্য এবং কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলো নির্ধারণ করবে। এটি কার্বন ক্রেডিট এবং জলবায়ু অর্থনীতি বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে সামগ্রিক নীতিনির্দেশনা প্রদান করবে।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: জাতীয় জলবায়ু অর্থনীতি কমিটির লক্ষ্য কী? উত্তর: কমিটি জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট এবং কার্বন ট্রেডিং কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত এবং কার্যকর জাতীয় কাঠামোর আওতায় আনতে কাজ করবে।
প্রশ্ন: কমিটির চেয়ারম্যান কে? উত্তর: প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশ্ন: কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা কে? উত্তর: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু ভাইস-চেয়ারম্যান এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডাঃ এমডি সাইমুম পারভেজ কমিটির কো-অর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশ্ন: কমিটির মূল কাজ কী? উত্তর: কমিটি জলবায়ু অর্থনীতি এবং কার্বন ক্রেডিট বিষয়ে বাংলাদেশের জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি, লক্ষ্য এবং কৌশলগত অগ্রাধিকারগুলো নির্ধারণ করবে এবং এই ক্ষেত্রে সামগ্রিক নীতিনির্দেশনা প্রদান করবে।




















