বাংলাদেশের বর্জ্য পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে রূপান্তরের জন্য সার্কুলার অর্থনীতি গ্রহণ অপরিহার্য বলে বিশেষজ্ঞরা মত রেখেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সার্কুলার অর্থনীতি গ্রহণের মাধ্যমে দেশের রপ্তানি সম্ভাবনা কয়েক বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা সম্ভব এবং বিশ্বের টেকসই মানদণ্ড পূরণ করা যাবে।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং বিজনেস ইনিশিয়েটিভ লিডিং ডেভেলপমেন্ট (বিইউআইএলডি) কর্তৃক আয়োজিত পঞ্চম টেকসই ও সবুজ বৃদ্ধি কাজকর্ম কমিটির বৈঠকে এই মন্তব্য করা হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা, শিল্পপতি এবং উন্নয়নসহায়করা। তারা বাংলাদেশের প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার নীতি, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং প্লাস্টিক থেকে টেক্সটাইল অর্থনীতি গড়ে তোলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন চার্জড সচিব ডাঃ ফাহমিদা খানম। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ জাতিসংঘের অধীনে আন্তর্জাতিক পরিবেশগত প্রতিশ্রুতির স্বাক্ষরকারী হওয়ায় দেশে সার্কুলার অর্থনীতি নীতি বাস্তবায়ন করা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সার্কুলারিটি অধিকার পূরণ করা বাধ্যতামূলক।
সচিব আরও বলেছেন, সরকারের অগ্রাধিকার হল সবুজ ব্যবসা প্রচার এবং টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে শিল্প ও সরকারি সংস্থাগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য বেসরকারি খাতকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
তিনি বলেছেন, সরকার ইতিমধ্যে একক ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করার কাজ শুরু করেছে, প্রাথমিকভাবে প্লাস্টিক স্টিক ভিত্তিক কটন বাড়, স্টিরার এবং স্ট্র নিষিদ্ধ করা হবে। তিনি শিল্পগুলোকে পরিবেশ বান্ধব উৎপাদনে স্থানান্তর করতে যথেষ্ট সময় প্রদানের জন্য গুরুত্ব আরোপ করেছেন।






























