চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং মিশর সফরে এসেছেন, যা দশ বছরে তাঁর প্রথম মিশর সফর। তিনি মিশরের রাষ্ট্রপতি আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। মিশরের রাজধানী কায়রোতে তাঁদের দুই দিনব্যাপী সফরে অর্থনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরের আশা রয়েছে।
আলোচনার বিষয়সমূহ
শি জিনপিং ও আল সিসি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের পরিণতি নিয়ে আলোচনা করবেন। মিশর তাঁদের স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতির ব্যাপারে জোর দিয়েছে, যা ওয়াশিংটন ও বেইজিং উভয়ের সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার ঘোষণা দিয়েছে, যা চীনের ব্যাংকগুলোকেও প্রভাবিত করতে পারে।
অর্থনৈতিক চুক্তি ও বিনিয়োগ
এই সফরে দুই দেশের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পরিবহন ও শক্তি ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক চুক্তি স্বাক্ষরের আশা রয়েছে। চীন ইতিমধ্যে মিশরের বৃহৎ প্রকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করেছে, যার মধ্যে সুয়েজ খাল অর্থনৈতিক অঞ্চলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। চীন মিশরের বৃহত্তম রফতানিকারক দেশ এবং ২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে তাঁদের বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত $১২ বিলিয়ন ছিল।
শি জিনপিং কায়রোতে গিজা পিরামিডের পাশে গ্র্যান্ড মিশরিয়ান মিউজিয়াম পরিদর্শন করবেন এবং কায়রোর বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে দেখবেন। রাস্তাগুলোতে চীন ও মিশরের পতাকা ও বিজ্ঞাপন বোর্ড দেখা যাচ্ছে।
মিশরের স্বাধীনতা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক
মিশরের রাষ্ট্রপতি আল সিসি তাঁর সম্পাদকীয়ে মিশরের স্বাধীন পররাষ্ট্র নীতি তুলে ধরেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যাংকের একটি শাখাকে ইরানকে সমর্থন করার জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছে। মিশর চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।





















