বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজ চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের (সিএইচটি) দূরবর্তী সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ফটিকছড়ি উপজেলায় নতুন রহমতপুর বর্ডার আউটপোস্ট (বিওপি) উদ্বোধন করেন। বিজিবি প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, বিজিবি প্রধান বলেছেন যে রহমতপুর সীমান্ত এলাকা ফেনী নদী অববাহিকা এবং পাহাড়ি ভূখণ্ডের কারণে ভৌগোলিক এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
নতুন বিওপি নদী এবং দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকায় প্যাট্রোল ও নজরদারি বৃদ্ধি করে সীমান্ত নিরাপত্তা শক্তিশালী করবে, চোরাচালানের রুট নিয়ন্ত্রণ করবে এবং মাদক, অস্ত্র এবং অন্যান্য অবৈধ পণ্যের চোরাচালান প্রতিরোধ করবে বলে তিনি বলেন। পরবর্তীতে, বিজিবি মহাপরিচালক পাঞ্চহাড়ী ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি) পরিদর্শন করেন এবং ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলের সেক্টর, ব্যাটালিয়ন, বিওপি এবং ক্যাম্পের কর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন।
তিনি পরিচালনাগত, প্রশিক্ষণ এবং প্রশাসনিক কার্যকলাপ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। বিজিবি মহাপরিচালক জামিনি পাড়া ব্যাটালিয়ন (২৩ বিজিবি) এর আওতাধীন বোগাপাড়া বিওপি এবং রাঙামাটি সেক্টরের আওতাধীন রাজনগর ব্যাটালিয়ন (৩৭ বিজিবি) পরিদর্শন করেন এবং কর্মীদের সাথে সীমান্ত নিরাপত্তা বিষয়ে আলোচনা করেন। তিনি বিজিবি সদস্যদের পেশাদার এবং সতর্ক থেকে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং পুশ-ইনের বিরুদ্ধে কাজ করতে অনুরোধ করেন।
চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের সীমান্ত এলাকাগুলি জটিল ভূখণ্ড এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে বিজিবি-র জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। নতুন রহমতপুর বিওপি এই অঞ্চলে নিরাপত্তা বজায় রাখতে এবং চোরাচালান রোধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিজিবি মহাপরিচালকের পরিদর্শন এবং নতুন বিওপি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সীমান্ত নিরাপত্তা শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি পূরণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য সীমান্ত নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। নতুন রহমতপুর বিওপি উদ্বোধন এবং বিজিবি মহাপরিচালকের পরিদর্শন এই লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশের জনগণের জন্য এটি একটি ইতিবাচক খবর যে তাদের সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হচ্ছে।




















