সরকার পাহাড়ি অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি জেলায় নতুন খাদ্য গোদাম তৈরি করবে। তথ্য উপদেষ্টা ডঃ জাহেদুর রহমান আজ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ বিষয়টি জানান। তিনি বলেন, পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায়শই অপ্রতিকূল হয়। বিশেষত বর্ষাকালে ভূমিধস বা অন্য কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটলে খাদ্য পরিবহনে বিঘ্ন দেখা দেয়। তাই নতুন খাদ্য গোদাম তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ডঃ জাহেদ বলেন, এই খাদ্য গোদামগুলো দিয়ে আপাত দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে খাদ্য সংরক্ষণ ও বণ্টন করা হবে। দূরবর্তী এলাকার মানুষ দ্রুত খাদ্য সহায়তা পাবে। তিনি বলেন, সরকারের খাদ্য বন্ধু অভিযানের অধীনে দেশের ৫৫ লক্ষ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতি দরিদ্র পরিবারকে ৩০ কেজি চাল প্রতি কেজি ১৫ টাকায় বিতরণ করা হচ্ছে। এই অভিযান চালিয়ে যাবে সরকার।
এছাড়া, তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এসএসসি, দাখিল ও কারিগরি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে এবার উত্তীর্ণ হওয়ার হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবে এটি শিক্ষার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে সরকারের অগ্রাধিকার হলো সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা। এ ব্যপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কঠোর পর্যবেক্ষণ করছে।
ডঃ জাহেদ বলেন, একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে যাত্রীদের অতিরিক্ত কষ্ট হওয়ার বিষয়টি সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দুঃখ প্রকাশ করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থান জাদুঘর উদ্বোধনের পর থেকে মানুষের অসাধারণ আগ্রহ দেখা গেছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ৮২,৩৭৬ রোগীকে বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া হয়েছে। তরুণ ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে নতুন মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। শিশু ও কিশোরদের স্বাস্থ্যকর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ক্রীড়া অপরিহার্য বলে উপদেষ্টা জানান।
ডঃ জাহেদ বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধুমাত্র অবকাঠামো গড়ে তোলা নয়, বরং শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা এবং শিশু ও কিশোরদের স্বাস্থ্যকর বিকাশ নিশ্চিত করে একটি মানবিক ও টেকসই উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সমস্ত মন্ত্রণালয় এই লক্ষ্য পূরণে সমন্বিতভাবে কাজ করছে।





























