চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং এই সপ্তাহান্তে নতুন দিল্লিতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেবেন, যা তাঁর প্রতিবেশী দেশ ভারতে সাত বছরে প্রথম সফর। বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুসারে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে রাষ্ট্রপতি শি ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নতুন দিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন।
এই দুই এশীয় দেশের মধ্যে সম্পর্ক উষ্ণ হচ্ছে, ২০২০ সালের এক মারাত্মক সীমান্ত সংঘর্ষের পর থেকে বিমান, ভিসা এবং উচ্চপদস্থ আলাপচারিতা ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। গত বছর আগস্টে মোদি চীন সফর করেছিলেন, যা সম্পর্কের কৌশলগত উষ্ণতার প্রথম ইঙ্গিত।
তবে, গভীর অবিশ্বাস অব্যাহত রয়েছে, বিবাদিত সীমান্ত, বাড়তি বাণিজ্য ঘাটতি এবং কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখনও সম্পর্ককে জটিল করে তুলছে। বৈঠকের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি অনুসারে, চীন ও ভারত নিয়মিতভাবে একে অপরের বিরুদ্ধে তাদের অনানুষ্ঠানিক উচ্চস্থানীয় সীমানা রেখা বরাবর অঞ্চল দখল করার চেষ্টার অভিযোগ আনে।
২০২০ সালে তিব্বত ও ভারতের লাদাখ অঞ্চলের সীমান্তে দুই দেশের সৈন্যদের মধ্যে এক মারাত্মক সংঘর্ষে ভারতীয় পক্ষে ২০ জন এবং চীনা পক্ষে ৪ জন মারা গিয়েছিলেন। শি গতবার ভারত সফর করেছিলেন ২০১৯ সালের অক্টোবরে, যখন তিনি মোদির সঙ্গে দেখা করেছিলেন।
এই সফরটি উভয় দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির এক গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত, যদিও অনেক চ্যালেঞ্জ এখনও রয়েছে। ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিতি দ্বারা চীন ও ভারত তাদের কৌশলগত সম্পর্ককে আরও উন্নত করার প্রয়াস চালাচ্ছে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, এই সম্মেলনে চীন ও ভারতের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায় যে অঞ্চলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও গভীর হতে পারে, যা বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।




































