ইনভেস্ট বাংলাদেশ অকার্যকর, অপ্রচলিত এবং বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প ও বাণিজ্যিক উদ্যোগসমূহকে পুনরায় উৎপাদনমূলক অর্থনৈতিক ব্যবহারে আনার জন্য একটি খসড়া নীতি নিয়ে মতামত আহ্বান করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য শিল্পোৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় ও বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত সম্পদ, শেয়ার এবং মালিকানার স্বার্থ বা কৌশলগত বিনিয়োগ হস্তান্তরের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।
নীতির উদ্দেশ্য ও পটভূমি
নতুন নীতিতে উদ্যোগ এবং সম্পদগুলোর যথাযথ মূল্যায়ন, লেনদেন কাঠামো নির্ধারণ, বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ এবং স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের নির্বাচনের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো প্রদান করা হয়েছে। এটি জনসাধারণের স্বার্থ রক্ষা করে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ন্যায্য অর্থনৈতিক মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেনদেন পরবর্তী বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করেছে।
পরিশ্রম ও পরবর্তী পদক্ষেপ
নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইনভেস্ট বাংলাদেশ গত ১২ জুলাই ২০২৬-এ জন ও বেসরকারি খাতের স্টেকহোল্ডারদের সাথে পরামর্শ করেছে। শিল্প মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট থেকে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের মতামত আহ্বান করেছে। প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং যথাসম্ভব খসড়া নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ এখন আরও মতামত চায় যাতে নীতি আরও কার্যকর, বাস্তবসম্মত, স্বচ্ছ এবং বিনিয়োগ বান্ধব হয়ে উঠতে পারে। প্রাসঙ্গিক মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, সরকারি বিভাগ ও সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ, ব্যবসা ও শিল্প সমিতি, দেশীয় ও বিদেশী বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, পেশাদার, বিশেষজ্ঞ এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের খসড়া পর্যালোচনা এবং তাদের পর্যবেক্ষণ বা সুপারিশ জমা দিতে অনুরোধ করা হয়েছে।
মতামতগুলো নিকোশ ফন্টে বাংলায় তৈরি করতে হবে এবং স্বাক্ষরিত মতামতের স্ক্যান করা কপি এবং একটি সম্পাদনযোগ্য ওয়ার্ড ফাইল আকারে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে জমা দিতে হবে। মতামত পাঠানো হবে [email protected] এবং ইমেলের বিষয়: "Comments on Strategic_Divestiture Policy"।






































