মার্চ থেকে আগস্টের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবাসীদের টাকা পাঠানো ১৩.১ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে দেশে ১৮.৯৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবাসী টাকা আসে, যা গত বছরের একই সময়ে প্রাপ্ত ১৬.৭৪ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় বেশি।
এই বৃদ্ধির পিছনে সরকার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক দ্বারা গৃহীত ব্যবস্থাগুলির ভূমিকা রয়েছে। সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানোকে আরও সুবিধাজনক এবং আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করে চলেছে।
এই ছয় মাসে সৌদি আরব থেকে সবচেয়ে বেশি ৩০৮৮.০৫ মিলিয়ন ডলার, যুক্তরাজ্য থেকে ২৯৪০.২৭ মিলিয়ন ডলার, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৬৭.২২ মিলিয়ন ডলার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৭১৬.৫৪ মিলিয়ন ডলার এবং মালয়েশিয়া থেকে ১৪৮৭.০৬ মিলিয়ন ডলার প্রবাসী টাকা আসে।
এই পাঁচটি দেশ থেকে মোট ১১.৫০ বিলিয়ন ডলার টাকা আসে, যা সমগ্র টাকার প্রায় ৬০.৭ শতাংশ। মার্চে ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার, এপ্রিলে ৩.১৩ বিলিয়ন ডলার, মেতে ৩.৪৩ বিলিয়ন ডলার, জুনে ২.৮১ বিলিয়ন ডলার, জুলাইতে ২.৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং আগস্টে ২.৯৬ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী টাকা পাঠানো হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেছেন, টাকা পাঠানোর বৃদ্ধি দেশের বহিঃখাতের জন্য একটি ইতিবাচক চিহ্ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশীদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেলের প্রতি বিশ্বাস বৃদ্ধির প্রতিফলন।
সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক আনুষ্ঠানিক চ্যানেলগুলিকে আরও সুবিধাজনক এবং আকর্ষণীয় করার চেষ্টা করে চলেছে, একই সাথে অবৈধ হুন্ডি লেনদেন নিরুৎসাহিত করছে। প্রবাসী বাংলাদেশীদের অবদান দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে সমর্থন করছে।




































