আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি জ্যাভিয়ের মাইলির মুক্ত-বাজার নীতির কারণে দেশের শিল্পখাত ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বুয়েন্স আয়ার্সের দক্ষিণে অবস্থিত কিওশি কোম্পানির বিশাল গুদামে যন্ত্রপাতি বন্ধ রয়েছে এবং বিক্রি না হওয়া পণ্যগুলো ভরে রয়েছে। মাত্র তিন বছর আগে কিওশি প্রায় ১২০ জন লোককে চাকরি দিত এবং মাসে ৪০,০০০ জোড়া স্নিকার ও ফ্লিপ-ফ্লপ উৎপাদন করত। আজ, মাত্র ১৪ জন শ্রমিক মাসে ১০,০০০ জোড়া পণ্য তৈরি করে। মাইলির নীতির কারণে স্থানীয় শিল্পখাত অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছে।
২০২৪ সালে মাইলি বামপন্থীদের দ্বারা প্রবর্তিত সুরক্ষাবাদী নীতিগুলো ভেঙে দেওয়া শুরু করেছিলেন। আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা, কর এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা অপসারণের ফলে আমদানির একটি ঝড় হয়ে গেছে, যা কিওশির মতো কোম্পানিগুলোর জন্য বিপর্যয়ের মতো। কিওশির পরিচালক এমানুয়েল ফার্নান্দেজ বলেছেন, 'অভ্যন্তরীণ বাজার মৃত্যুবরণ করেছে, মানুষ খাবার কিনতে ঋণ নেয় তাই কল্পনা করুন জুতো কিনতে চাইলে কি হবে।'
জুন মাসে আর্জেন্টিনার শিল্প ক্ষমতার প্রায় ৪০ শতাংশ ব্যবহার হয়নি। শিল্প উৎপাদন জুন থেকে জুলাই পর্যন্ত ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা ১৬ মাসের মধ্যে সবচেয়ে বড় হ্রাস। আর্জেন্টিনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইউনিয়ন বলেছে যে গত তিন বছরে প্রায় ৯০,০০০ শিল্প চাকরি হারিয়েছে এবং প্রায় ৩০,০০০ কোম্পানি বন্ধ হয়ে গেছে।
প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: মাইলির নীতি কেন এত বিরূপ প্রভাব ফেলছে? উত্তর: মাইলির মুক্ত-বাজার নীতির কারণে আমদানি বেড়ে গেছে, যা স্থানীয় শিল্পগুলোকে প্রতিযোগিতা করতে অসুবিধা করছে। প্রশ্ন: কীভাবে শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে? উত্তর: অনেক শ্রমিক তাদের চাকরি হারিয়েছে এবং অন্যান্য কাজ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছে। প্রশ্ন: সরকার কীভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে? উত্তর: সরকার বলছে যে এটি হল অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রাথমিক ব্যথা।



























