উজবেকিস্তানের ডোস্তলিক স্টেডিয়ামে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের উদ্বোধনী ম্যাচে উজবেকিস্তানের কাছে ২-০ গোলে বাংলাদেশ পরাজিত হয়েছে। প্রথমার্ধে একবার এবং দ্বিতীয়ার্ধে আরও একবার উজবেকিস্তান গোল করেছিল। গোলরক্ষক রাজ চৌধুরীর দৃঢ় প্রতিরোধের কারণে বাংলাদেশ আরও বেশি গোল খেতে থেকে রেহাই পেয়েছে।
উজবেকিস্তানের যুব দলটি বাংলাদেশের তুলনায় অনেক শক্তিশালী। তাই ম্যাচের শুরু থেকেই উজবেকিস্তান বাংলাদেশের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছিল। অনেকে ভেবেছিলেন, বাংলাদেশ বড় ব্যবধানে পরাজিত হতে পারে। তবে রাজ চৌধুরীর দৃঢ় প্রতিরোধের কারণে বাংলাদেশ ম্যাচটি ২-০ ব্যবধানে হারায়।
এই ম্যাচের পর বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ হবে সিরিয়ার বিপক্ষে। সিরিয়া তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে ভারতের কাছে ১-০ গোলে হারেছিল। বাছাইপর্বের গ্রুপ বিজয়ী ৮ দল এবং সেরা ৭ রানার্স-আপ দল এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
এই ম্যাচে বাংলাদেশের যুব দলটি যে খুব দৃঢ়তার সাথে খেলেছে তা দেখে ভালো লেগেছে। গোলরক্ষক রাজ চৌধুরীর অসাধারণ প্রদর্শন এবং দলের খেলোয়াড়দের দৃঢ় প্রতিরক্ষা বাংলাদেশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটি হেরে যাওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের প্রদর্শন খুবই উৎসাহজনক।
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি শিক্ষাদায়ক ছিল। উজবেকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার মাধ্যমে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা অনেক কিছু শিখতে পারবে। তাই আগামী ম্যাচে সিরিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা আরও ভালো খেলার চেষ্টা করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে দেখলে, বাংলাদেশের যুব দলটি এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে অংশ নিয়ে খুবই ভালো অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তাই আশা করা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের যুব দলটি আরও ভালো খেলার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও ভালো ফলাফল করতে পারবে।






























