রামপাল উপজেলার লিতুর চরে দিঘির ভাঙনে বন্যার কবলে পড়েছে শত শত বাড়ি। স্থানীয় মানুষ অবিলম্বে মেরামত এবং স্থায়ী ও টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে। বর্তমান বন্যায় কমপক্ষে ১০০ বাড়ি জলে নিমজ্জিত হয়েছে, যার ফলে খাদ্য ও নিরাপদ পানীয় জলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
মানুষের দাবি ও দুর্দশা
স্থানীয় মানুষ বলছে, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধের অসময়োপযোগী মেরামত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এটি অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় ছিল। বন্যার কারণে আমন চাষ ঝুঁকির সম্মুখীন, ২০০ একরেরও বেশি আমন জমি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যদি বাঁধ দ্রুত মেরামত না করা হয়। বড় আয়তনের আমন চারা এবং বেশ কয়েকটি মাছের হাট জলে নিমজ্জিত হয়েছে, যার ফলে কৃষক এবং মাছচাষীদের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।
বার বার বাঁধ ভাঙার কারণে বছরের পর বছর ধরে বাড়ি, ফসলজমি এবং মাছের হাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে তাদের জীবিকা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন। মানুষ অবিলম্বে অস্থায়ী মেরামত তারপর টেকসই বাঁধ নির্মাণের পাশাপাশি সরকারি ত্রাণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য জরুরি নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছে।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণ
কাইগাড়াদাশকাটি চরের বেশ কয়েক শত বাসিন্দা, গৌরাম্ভা ইউনিয়নের বিএনপি প্রেসিডেন্ট এমডি মুজিবুর রহমান জোয়ার্দর এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে অংশ নিয়েছেন। তারা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এবং রামপাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার তামান্না ফার্দৌসীকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে অবস্থা উদ্ধার করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।






































