নেপাল তিব্বত সীমান্তে বিধ্বংসী বন্যা পরবর্তী আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছে কিন্তু বলেছে তারা বিদেশি উদ্ধার দল ছাড়াই মোকাবিলা করছে। বন্যা এবং ভূমিধসের ফলে অন্তত ৪৮২ জন মানুষ নিহত হয়েছে, বাড়ি, রাস্তা, সেতু এবং জলবিদ্যুৎ অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লোক বাহাদুর ছেত্রি বলেছেন, 'আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম, তবে বিশেষ বিদেশি দক্ষতার প্রয়োজন হলে তা অনুরোধ করা হবে।'
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দুর্যোগ পুনরুদ্ধারের জন্য অর্থের আহ্বান জানিয়েছে, উভয় দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক। ছেত্রি বলেছেন, বেশ কয়েকটি বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং এটি প্রক্রিয়াধীন। তিনি আরও বলেছেন, 'আমরা নেপালের জন্য অসাধারণ সদ্ভাবনা অনুভব করেছি।'
নেপালের পাহাড়ি ভূখণ্ড এবং বন্যার দ্বারা আক্রান্ত উত্তর সীমান্ত অঞ্চলে যাতায়াতের অসুবিধার কারণে উদ্ধার কার্য জটিল হয়ে পড়েছে, তবে দেশটির হিমালয় অঞ্চলে জরুরি উড়ান পরিচালনায় অভ্যস্ত হেলিকপ্টার উদ্ধার পাইলট রয়েছে। দেশটি ২০১৫ সালের এক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পরে বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক উদ্ধার দলের সমন্বয়ে অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছিল।
নেপালের অভ্যন্তরীণ উদ্ধার ক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার মিশ্রণের মধ্য দিয়ে দেশটি বর্তমানে বন্যা এবং ভূমিধসের কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলির সম্মুখীন হচ্ছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার প্রয়োজন হলেও, নেপাল তার নিজস্ব উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হিসাবে নিজেকে উপস্থাপন করছে।
এই দুর্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে, নেপাল সম্ভাব্য বিশেষ বিদেশি দক্ষতার প্রয়োজন হলে তা অনুরোধ করবে বলে জানিয়েছে। এর মানে হল যে নেপাল তার নিজস্ব ক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তার মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে।
দুর্যোগ পরিচালনার জন্য নেপালের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার মধ্যে সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায় যে নেপাল কেবলমাত্র তার নিজস্ব সম্পদের উপর নির্ভর করে না, বরং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তাও গ্রহণ করতে প্রস্তুত।







































