রাজশাহীর কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন যে, ঠান্ডা গুদামে আলু সংরক্ষণের ভাড়ার সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা হোক। জেলা পরামর্শদাতা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঠান্ডা গুদামে আলু সংরক্ষণের সর্বোচ্চ ভাড়া নির্ধারণের দাবিতে তারা এক মানববন্ধনের আয়োজন করেছেন।
এই মানববন্ধন আয়োজিত হয়েছিল নওগাঁ-রাজশাহী মহাসড়কের পাশে, পাবা উপজেলার তাকিপুরে অবস্থিত জেলা আলু ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির অফিসের সামনে। এই অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি আহাদ আলী শাহ, উপসভাপতি মিজানুর রহমান মিলন, সাধারণ সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম ডনি এবং সংগঠনের সদস্য মিথু হাজী বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও আলু চাষীরা উপস্থিথ ছিলেন।
বক্তারা বলেছেন যে, আলু কেবলমাত্র একটি কৃষিজাত পণ্য নয়; উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার কৃষক ও ব্যবসায়ীর জীবিকা এটির উপর নির্ভর করে। সেজন্য, তারা দাবি করেছেন যে, ঠান্ডা গুদামের ভাড়া এমনভাবে নির্ধারণ করা উচিত যাতে কৃষকরা কমপক্ষে তাদের উৎপাদন খরচ পুনরুদ্ধার করতে পারে এবং ব্যবসায়ীরা উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিপণন করতে পারে।
পটভূমি
রাজশাহী অঞ্চলে আলু চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষি কার্যকলাপ। শীতকালীন আলু চাষের মাধ্যমে বছরের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল উৎপাদন করা হয়। তবে, উৎপাদনের পর আলু সংরক্ষণের জন্য ঠান্ডা গুদাম ব্যবহার করা হয়, যাতে ফসল দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকতে পারে। ঠান্ডা গুদামের ভাড়া নির্ধারণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ এটি কৃষক ও ব্যবসায়ীদের আর্থিক বোঝা প্রভাবিত করে।
সিদ্ধান্তের প্রয়োজনীয়তা
জেলা পরামর্শদাতা কমিটি ঠান্ডা গুদামের ভাড়া নির্ধারণের জন্য একটি সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি কেজি আলুর জন্য সর্বোচ্চ ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হবে, প্রতি থলা থেকে ৫ কেজি ওজন বাদ দিয়ে। কৃষক ও ব্যবসায়ীরা এই সিদ্ধান্তের দ্রুত বাস্তবায়ন চাইছেন যাতে তাদের আর্থিক বোঝা কমানো যায় এবং আলু চাষ ও বিপণনের ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা আনা যায়।






























