রুশ সাইবেরিয়ার একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে আগুন লাগার পর মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে সাতে উঠেছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই চীনা নাগরিক। এই দুর্ঘটনায় আরও নয়জন চীনা শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। অ্যামুর জিএক্সকেইচ কোম্পানি জানিয়েছে যে, তারা আরও চারজন চীনা শ্রমিকের মৃতদেহ পেয়েছে। মঙ্গলবার তারা বলেছিল যে, তিনজন মারা গেছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা একজন রুশ নাগরিক এবং ছয়জন চীনা নাগরিকসহ সাতে দাঁড়িয়েছে।
এই অগ্নিকাণ্ড মঙ্গলবার রুশ সাইবেরিয়ার অ্যামুর অঞ্চলে ঘটেছিল যেটি চীনের সীমানা ঘেঁষে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অবস্থিত অ্যামুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে (এজিসিসি) ১৫০ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এটি একটি যৌথ রাশিয়ান-চাইনিজ উদ্যোগ।
অ্যামুর জিএক্সকেইচ বলেছে যে, ১৫২ জন মানুষ চিকিৎসা সহায়তা খোঁজেছে, যাদের মধ্যে ৩৬ জনকে উদ্ধারকারী বিমানে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাদের ক্ষতগুলোর তীব্রতা বিভিন্ন মাত্রার। অগ্নিকাণ্ডটি নির্মূল করা হয়েছে।
অ্যামুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স (অ্যামুর জিএক্সকেইচ) রাশিয়ার সিবুর এবং চায়নার পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড কেমিক্যাল কর্পোরেশন (সিনোপেক) যৌথভাবে মালিকানাধীন। রাশিয়ার শিল্প স্থানগুলোতে দুর্ঘটনা কম নয়, এমনকি মারাত্মক দুর্ঘটনাও ঘটে।
এই অগ্নিকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে, রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে যৌথ উদ্যোগগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাশিয়ার অ্যামুর অঞ্চলে অবস্থিত এই পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স যৌথভাবে রাশিয়ান এবং চাইনিজ কোম্পানির মালিকানাধীন।
এই অগ্নিকাণ্ডের পরিণতিতে, নিরাপত্তা মানদণ্ড এবং শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ নিয়ে আরও গভীর অনুসন্ধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে শিল্প দুর্ঘটনা এবং নিরাপত্তা মানদণ্ড নিয়ে আরও গুরুত্ব আরোপ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।





































