মতিঝিলের বাণিজ্যিক কার্যকলাপ ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। নতুন ঢাকামুখী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকগুলো মতিঝিল ছেড়ে গুলশান–বনানীতে স্থানান্তরিত হচ্ছে। ফলে মতিঝিলের বহুতল ভবনগুলো খালি পড়ে যাচ্ছে এবং ভাড়াটে খুঁজতে হচ্ছে। অন্যদিকে, গুলশান–বনানীতে নতুন নতুন বাণিজ্যিক ভবন গড়ে উঠছে।
মতিঝিলের ইতিহাস ও গুরুত্ব
গত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকার গোড়াপত্তন হয়। তখন থেকে এখানে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড বাড়তে থাকে। নির্মিত হতে থাকে বহুতল ভবন। পাকিস্তান সরকার মতিঝিল এলাকা অধিগ্রহণ করে মোহাজের শ্রেণির ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের জন্য। তখন অল্পসংখ্যক বাঙালি ব্যবসায়ীরাও প্লট পেয়েছিলেন।
গুলশান–বনানীর উত্থান
ষাটের দশকে বনানী আবাসিক এলাকা গড়ে তোলে ঢাকা ইমপ্রুভমেন্ট ট্রাস্ট (ডিআইটি)। তখন এটি ছিল মাঝারি আয়ের লোকজনের আবাসস্থল। আশির দশকের মাঝামাঝি সময়ে কামাল আতার্তুক অ্যাভিনিউতে বাণিজ্যিক স্থাপনা করার অনুমতি দেয় সরকার। তারপর ধীরে ধীরে বহুতল ভবন উঠতে থাকে।
তেজগাঁওয়ের সম্ভাবনা
জায়গাস্বল্পতায় গুলশান-বনানীকেন্দ্রিক বাণিজ্যিক কেন্দ্র সম্প্রসারণের সুযোগ কমে আসছিল। তখন নতুন সম্ভাবনা দেখায় তেজগাঁও শিল্প এলাকা। পঞ্চাশের দশকে ৫০০ একরের বেশি জায়গা নিয়ে গড়ে তোলা হয় তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ১৯৯৮ সালে তেজগাঁও-গুলশান সংযোগ সড়ককে ‘বাণিজ্যিক সড়ক’ ঘোষণা করে সরকার।





























