ডনিপ্রো, উক্রেন। ২০২২ সালে রাশিয়ার আক্রমণের পর থেকে ডনিপ্রোর কেন্দ্রীয় হাসপাতাল উক্রেনের অন্যতম প্রধান চিকিৎসা কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। সেনা ও বেসামরিক ব্যক্তিদের যুদ্ধের ক্ষত নিরাময়ের জন্য হাসপাতালে নিরবচ্ছিন্নভাবে রোগীরা আসছেন।
ক্ষতিগ্রস্ত দেহ ও অসীম সাহস
সকাল ৯ টার দিকে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে তিনটি অ্যাম্পুটেশন অপারেশন হয়েছে। এক ২৭ বছর বয়সী সেনার উভয় পা রাশিয়ান ড্রোনের হামলায় ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে গিয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক সের্গি রিঝেনকো ও তার দল নীরবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
রিঝেনকো বলেন, 'বুলেটের ক্ষতের পরিবর্তে এখন ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র এবং গ্লাইড বোমার ক্ষত দেখা যাচ্ছে। দেহ ছিন্ন বিছিন্ন হয়ে যাচ্ছে, মাংসের টুকরো টুকরো হয়ে যাচ্ছে, হাড় ভেঙে যাচ্ছে — এমন এক অবস্থায় যেখানে তাদের বাঁচানো প্রায় অসম্ভব।'
জীবনের সংগ্রাম ও আশা
হাসপাতালের করিডোরে প্রতিদিন ৫০ থেকে ১০০ অপারেশন হয়। দুপুরের দিকে, প্রসূতি বিভাগ থেকে একটি নতুন জন্মের সুখবর আসে। অবস্থার কঠোরতা সত্ত্বেও চিকিৎসকরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসক ওলা ফ্যান্ডেইভা বলেন, 'এই ছোট পায়ের স্পর্শ আমাদের জীবনের অর্থ বুঝায়।'
রাশিয়ার অবিরাম হামলার মধ্যে হাসপাতালের কর্মীরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। রাতের শেষ দিকে হাসপাতালে আরও রোগীরা আসেন। হাসপাতালের কর্মীরা অবিরত কাজ করে যাচ্ছে, যুদ্ধের ছোঁয়া থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে।





























