সামরিক ব্যয় নিয়ে বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি। প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে লেখা চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সম্পদ বরাদ্দে ব্যর্থ হয়েছে সরকার।
জন হিলির পদত্যাগ স্টারমারকে এক চরম রাজনৈতিক সংকটের মুখে ফেলেছে। বিশেষ করে সরকারের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকা সত্ত্বেও প্রতিরক্ষা বাজেট কীভাবে বাড়ানো হবে, সেই অমীমাংসিত প্রশ্নটি এখন নতুন করে সামনে চলে এসেছে।
যুক্তরাজ্যের সামরিক ব্যয়বৃদ্ধির ক্রমবর্ধমান চাহিদা কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রতিরক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আলোচনা চলছিল। এর ফলেই গত বছর প্রকাশের কথা থাকলেও ‘ডিফেন্স ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান’ বা প্রতিরক্ষা বিনিয়োগ পরিকল্পনাটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
ব্রিটিশ জলসীমায় রাশিয়ার ঘন ঘন অনুপ্রবেশের ফলে তৈরি হওয়া ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের এই পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সামরিক কর্তারা; কিন্তু সরকার এখন ঋণের বোঝা কমাতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপর দেশটিতে বর্তমানে করের বোঝা গত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।






























