সিরিয়ার কুর্দি-নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্স (এসডিএফ) রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ঘোষণা করেছে। এই বাহিনী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়া একটি আরব-কুর্দি জোট ছিল এবং জিহাদি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। 2015 সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনায় এই বাহিনী গঠিত হয়েছিল এবং কয়েক বছর ধরে সিরিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ও সংগঠিত বাহিনী ছিল।
2024 সালে সিরিয়ার শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের নতুন মার্কিন-বান্ধব কর্তৃপক্ষের হাতে ছেড়ে দেয়। এসডিএফের বিলুপ্তি সিরিয়ার কুর্দিদের জন্য স্বায়ত্তশাসনের স্বপ্নের অবসানের সূচনা করেছে। বাহিনীটির শীর্ষস্থানীয় নেতা মাজলুম আবদি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।
এসডিএফের মূল ভিত্তি ছিল পিপলস প্রটেকশন ইউনিটস (ওয়াইপিজি) এবং মহিলা প্রটেকশন ইউনিটস। এসডিএফের শক্তি কমে গেছে, রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারায়ের সেনাবাহিনী দুটি প্রদেশ দখল করার পর আরব সদস্যরা ব্যাপকভাবে বিচ্যুত হয়েছে। সিরিয়ার বিশেষজ্ঞ ফ্যাব্রিস বালাঞ্চের মতে, বাহিনীর কেন্দ্রীয় অংশ অক্ষত রয়েছে।
তুরস্ক এসডিএফকে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে) এর সাথে সংযুক্ত হিসাবে দেখে, যেটি দশকের পর দশক ধরে তুর্কি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। তুরস্কের সাথে সংঘর্ষের পর পিকেকে গত মে মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সশস্ত্র সংগ্রাম বন্ধ করে দিয়েছে।
এসডিএফের রাষ্ট্রীয় বাহিনীতে অন্তর্ভুক্তি সিরিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতি আহমেদ আল-শারায়ের জন্য একটি বড় বিজয়, যিনি শাসক বাশার আল-আসাদের পতনের পর থেকে সমগ্র সিরিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে চেষ্টা করছেন।
এই ঘোষণার ফলে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পাঠ রয়েছে। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক জোটের পরিবর্তন বিশ্বব্যাপী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন ও সামরিক গতিবিধি বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে।






































