সুদানের সেনাবাহিনীর ড্রোন আক্রমণে দারফুরের একটি আদালতে ৩৫ জন নিহত হয়েছে। একটি মানবাধিকার সংগঠনের জানানো অনুযায়ী, এই আক্রমণটি উত্তর দারফুরের গাররা আল-জাওয়ায়া গ্রামে স্থানীয় মামলা এবং বিবাদ নিয়ে শুনানির জন্য জড়ো হওয়া বেসামরিক মানুষের উপর চালানো হয়েছিল।
আক্রমণের বিবরণ
দ্য ইমার্জেন্সি লয়ার্স নামের একটি মানবাধিকার সংগঠনের জানানো অনুযায়ী, আক্রমণটি স্থানীয় সময় দুপুর একটার দিকে (জিএমটি ১১০০) চালানো হয়েছিল। গ্রামটি রাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) নামের আধা-সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যারা এপ্রিল ২০২৩ থেকে সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধে লিপ্ত।
একজন অজ্ঞাতনামা সাক্ষীর জানানো অনুযায়ী, আদালতের শুনানিটি একটি গাছের নীচে অনুষ্ঠিত হচ্ছিল, যেখানে স্থানীয় সম্প্রদায়ের নেতারা অংশগ্রহণ করেছিলেন। নিহতদের মধ্যে চারজন উপজাতি নেতা এবং দুইজন আরএসএফ কমান্ডার ছিলেন।
প্রতিক্রিয়া এবং বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া আসেনি। অন্যদিকে, আরএসএফ-এর স্বঘোষিত সরকার এই আক্রমণকে 'একটি ভয়াবহ অপরাধ' বলে নিন্দা করেছে, ৩৭ জন নিহত এবং ৫০ জন আহতের কথা উল্লেখ করেছে।
সংঘাতের ফলে এল-ফাশার শহরের উপর আরএসএফ-এর অবরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে, যা জাতিসংঘের তদন্ত অনুযায়ী 'গণহত্যার লক্ষণ' বহন করছে। দুই পক্ষই বেসামরিক মানুষের উপর অবিচারিক হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত, তবে আরএসএফ বিশেষভাবে যৌন নির্যাতন, লুটপাট এবং গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত।






























