প্রধানমন্ত্রী তারিক রহমান আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরকার একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনা দূর করেছে বলে কাল থেকে শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ আগের মতো স্বাভাবিক হবে। তিনি আজ শেখ রাটলি হলে ব্যবসায়ীদের এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনায় এ কথা বলেন।
ব্যবসায়ীদের এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সাথে আজ প্রধানমন্ত্রীর তিন ঘণ্টা দীর্ঘ আলোচনায় দেশের বিদ্যুৎ ও শক্তি খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, আলোচনায় বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের মতামত জানানো হয়েছে।
এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনার কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল
বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণ বর্ণনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মধ্যে একটিতে দুর্ঘটনার কারণে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা শিল্প ও অন্যান্য খাতে প্রভাব ফেলেছিল। তবে তিনি বলেন, সমস্যাটি ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে শক্তি ও বিদ্যুৎ খাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানান।
তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিদ্যুৎ ও শক্তি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা সফলভাবে বাস্তবায়ন করলে ব্যবসা, বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনীতির উপকার হবে। শক্তি সরবরাহ অভাব দূর করতে সরকার তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ তৃতীয় টার্মিনাল গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত হবে।
সরকারের বিদ্যুৎ ও শক্তি খাতে নানা সমস্যার কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতের সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। তবে তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, আলাপ-আলোচনা করেছে এবং সমস্যাগুলো দূর করার পরিকল্পনা করেছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সময় লাগে। শক্তি ও বিদ্যুৎ খাতের সমস্যাগুলো উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। কোনো ইচ্ছাকৃত পদক্ষেপ ছাড়াই সমস্যাগুলো ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে সমাধান করা সম্ভব নয়।



































