বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধিত বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী বহিরাগত ঋণের জন্য নিজেদের অনুমোদনের প্রয়োজন বাদ দিয়েছে। ফরেন এক্সচেঞ্জ পলিসি ডিপার্টমেন্ট-১ (এফইপিডি-১) এর একটি সার্কুলারের মাধ্যমে এই পরিবর্তনটি জানানো হয়েছে।
এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ৩২-এর একটি ধারা সংশোধন করে এই নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে। বিবি-র একটি প্রেস রিলিজে জানানো হয়েছে যে ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধিত বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর বহিরাগত ঋণের জন্য বিবি-র অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।
অন্যদিকে, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধিত নয় এমন বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝারি ও দীর্ঘমেয়াদী বহিরাগত ঋণের জন্য বিবি-র অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকবে।
বিবি জানিয়েছে যে পূর্বে অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইজেড) হিসেবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ প্রস্তাব ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের বিদেশি ঋণ/সরবরাহকারীর ক্রেডিট স্ক্রুটিনি কমিটির কাছে বিবেচনার জন্য জমা দিতে হবে।
বিবি জানিয়েছে যে ২ সেপ্টেম্বরের সার্কুলারের অন্যান্য বিধানগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। এই নতুন বিধান বাংলাদেশের মুদ্রার অনুমোদিত ডিলারদের কাছে জানানো হয়েছে যাতে তারা তাদের সংশ্লিষ্টদের অবহিত করতে পারে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে বিশেষায়িত অঞ্চলগুলো শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান বিদেশ থেকে ঋণ নিয়ে কাজ করে থাকে। বিবি-র এই পদক্ষেপ ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও সহজে বহিরাগত ঋণ নেওয়ার সুযোগ দেবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
এই পদক্ষেপ বিশেষায়িত অঞ্চলের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে সহায়তা করবে। এটি বিনিয়োগ আকর্ষণে ও শিল্প উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও, এটি বিবি-এর কাজের বোঝা কমাতে সাহায্য করবে কারণ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ প্রস্তাব আর বিবি-এর কাছে জমা দিতে হবে না।




























