রাশিয়ার বোমাবর্ষণে কিয়েভে কমপক্ষে ৯ জন নিহত হয়েছে এবং কয়েক ডজন লোক আহত হয়েছে। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধে বেসামরিক মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাশিয়ান ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ কিয়েভের আবাসিক এলাকা এবং গুদামঘরে আঘাত হানে। এছাড়াও একটি চিকিৎসা কেন্দ্র এবং একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো টেলিগ্রামে জানান, রাজধানীতে মৃতের সংখ্যা ৮ এবং আহতের সংখ্যা ৩৩-এ উঠেছে। ব্রোভারি জেলায় এক আক্রমণে একজন মানুষ নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছে। কিয়েভের আঞ্চলিক গভর্নর টিমুর টকাচেঙ্কো জানান, একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দাবানল নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সেবাগুলো কাজ করছে।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়ার 'ক্যালিব্র' ক্ষেপণাস্ত্র কিয়েভ অঞ্চলের কাগারলিক গ্রামের কাছে দেখা গেছে, যা রাজধানীর দিকে যাচ্ছে। এই আক্রমণের কারণে ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ড এবং রোমানিয়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পোল্যান্ডের সামরিক কমান্ড জানিয়েছে, তারা বিমান মোতায়েন করেছে এবং বিমান আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। রোমানিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, রোমানিয়ার সীমান্তের কাছে আকাশে লক্ষ্য শনাক্ত করা হয়েছে এবং দুটি স্প্যানিশ যুদ্ধবিমান এবং একটি রোমানিয়ান বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে।
রাশিয়াও একটি বড় ইউক্রেনীয় ড্রোন আক্রমণের খবর দিয়েছে। মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানান, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ২৫০টি ড্রোন মস্কো অঞ্চলের দিকে উড়ে গেছে, যার বেশিরভাগই রাজধানী থেকে দূরে ধ্বংস করা হয়েছে। সোবিয়ানিন জানান, মস্কো অঞ্চলে ২৮টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে।
কিয়েভ প্রায় প্রতি রাতে আক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে, অন্যদিকে ইউক্রেন রাশিয়ার উপর তার প্রতিশোধমূলক আক্রমণ বাড়িয়েছে। ইউক্রেন রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত শেষ করার জন্য।
এই ঘটনা ইউক্রেনের জনগণের জন্য ভীষণ চিন্তার বিষয়। যুদ্ধের কারণে অনেক বেসামরিক মানুষ মারা গেছে এবং আহত হয়েছে। ইউক্রেনের মানুষ এই যুদ্ধের শেষ দেখতে চায় এবং শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন করতে চায়।




























