বাংলাদেশ ব্যাংক রূপালী ব্যাংক পিএলসিকে এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেডের জন্য অনুমোদিত বিদেশি মুদ্রার সিন্ডিকেট লোনের বাকি অংশ ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং রেগুলেশন অ্যান্ড পলিসি ডিপার্টমেন্ট-২ (বিআরপিডি-২) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে নির্দেশ দিয়েছে সমস্ত নির্ধারিত ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, অনুমতির মধ্যে রয়েছে বাকি ৩,১৯৭,৬৫১.২৮ মার্কিন ডলার ছাড়া, যা এসএস পাওয়ার-১ লিমিটেডের জন্য পূর্বে অনুমোদিত বিদেশি মুদ্রার সিন্ডিকেট লোনের রূপালী ব্যাংকের অংশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেডের পক্ষে একটি লেটার অফ ক্রেডিট (এলসি) খোলার অনুমতিও দিয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে যে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ধারা ২৭এএ(৩)-এর অধীনে প্রাসঙ্গিক বিধান, যা ২০২৩ সাল পর্যন্ত সংশোধিত, লোন ছাড়া এবং এলসি খোলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করেছে যে, লোন সুবিধার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জন্য কোন আর্থিক দায়বদ্ধতা তৈরি হবে না।
রূপালী ব্যাংকও এই ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোন আর্থিক সহায়তা চাইতে পারবে না। এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রূপালী ব্যাংককে নির্দিষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, তাদের আগের অনুমোদিত লোন চুক্তি অনুসারে এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেডের জন্য বিদেশি মুদ্রার লোন ছাড়ার অনুমতি রয়েছে।
সিন্ডিকেট লোন বলতে একাধিক লেন্ডার বা ব্যাংক একত্রিত হয়ে একটি বড় ধরনের লোন দেওয়াকে বোঝায়। এর মাধ্যমে বড় মাপের অর্থায়ন সম্ভব হয় এবং ঝুঁকি বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে বিভক্ত হয়ে যায়। এই ক্ষেত্রে, রূপালী ব্যাংক ছাড়াও অন্যান্য ব্যাংক এসএস পাওয়ারের জন্য লোন দিয়েছে।
এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেড একটি শক্তি খাতের কোম্পানি, যা সম্ভবত বিদ্যুৎ উৎপাদন বা বণ্টনের কাজে নিযুক্ত। লোন ছাড়ার অনুমতি পাওয়ার মানে হলো, কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে এবং সম্ভাব্য নতুন প্রকল্প বা অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই বিজ্ঞপ্তি দেশের শক্তি খাতের উন্নয়নে সহায়ক হতে পারে। শক্তি খাতে বিদেশি মুদ্রার লোন গ্রহণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, বিশেষ করে বড় মাপের প্রকল্পের জন্য। লোন ছাড়ার অনুমতি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএস পাওয়ার ১ লিমিটেডের ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।






































