বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের সদস্য আন্তর্জাতিক অর্থ সংস্থা আইএফসি জেনেরিক ওষুধ প্রস্তুতকারক পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালসকে ৩০.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশে অপরিহার্য ওষুধের উৎপাদন ও চাকরি সৃষ্টির জন্য। ঋণটি পপুলারের মার্কিন ডলার ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের চাহিদা পূরণ করবে, বিশেষত অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইংরেডিয়েন্টস (এপিআই) আমদানির জন্য, যা স্থানীয় ওষুধ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
যদিও স্থানীয় প্রস্তুতকারকরা দেশের বেশিরভাগ ওষুধের চাহিদা পূরণ করে, খাতটি মূল কাঁচামাল, বিশেষত এপিআই আমদানিতে বেশি নির্ভরশীল। আইএফসির দীর্ঘমেয়াদী মার্কিন ডলার ঋণ সুবিধা অবিচ্ছিন্নভাবে বিদেশী মুদ্রার খরচ পূরণ করবে যাতে গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল আমদানিতে বিঘ্ন না পড়ে। এর ফলে ১৭০ মিলিয়ন জনসংখ্যার জন্য অপরিহার্য ওষুধের উৎপাদন ও সরবরাহ অবিচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকবে।
পপুলার বাংলাদেশের শীর্ষ ১০টি ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানির একটি, যা ৮১৫টিরও বেশি পণ্য উৎপাদন করে এবং এটি ১৫৫,৬০০টি ফার্মাসি ও ক্লিনিকে পৌঁছে দেয়। কোম্পানিটি মিলিয়ন মানুষের চিকিৎসা সহায়তা করে এবং দেশজুড়ে ১০,০০০ লোককে কর্মসংস্থান প্রদান করে।
প্রশ্ন ও উত্তর
পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস কী করবে এই ঋণ দিয়ে?
পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস এই ঋণ দিয়ে তাদের মার্কিন ডলার ওয়ার্কিং ক্যাপিটালের চাহিদা পূরণ করবে, বিশেষ করে এপিআই আমদানির জন্য।
এই অংশীদারিত্ব কীভাবে চাকরি সৃষ্টি করবে?
এই অংশীদারিত্ব পপুলারের হরমোন বিভাগের সম্প্রসারণে সহায়তা করবে যা ৩৩০টি উচ্চ-দক্ষ চাকরি সৃষ্টি করবে এবং উন্নত ওষুধ উৎপাদনে দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়াও, বিভাগটিতে মহিলা কর্মীদের সংখ্যা ৬০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।
এই অংশীদারিত্বের লক্ষ্য কী?
এই অংশীদারিত্ব বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের লক্ষ্য সাধন করবে যেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ বিলিয়ন মানুষকে মানসম্মত, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদান করা হবে। এছাড়াও, এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য চুক্তি ২০২৫ সাথে সরাসরি সমর্থন করবে।






































