রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার মোহাম্মদ ফয়জুল কাবির আজ পুলিশ অফিসারদের শিশুদের প্রতি এমপ্যাথি, বিশ্বাস ও সংবেদনশীলতার সাথে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশেষ করে যারা ট্রমা অভিজ্ঞতা বহন করেছে তাদের জন্য এই আহ্বান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, 'যদি আমরা শিশুর মনে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করতে পারি তাহলে শিশু মুক্তভাবে কথা বলতে পারবে এবং আমরা জানতে পারবো বাস্তবে কী ঘটেছে।' তাই শিশুদের সাথে কাজ করা পুলিশ অফিসারদের মানবিক, ধৈর্যশীল ও সংবেদনশীল হওয়া অপরিহার্য।
আরএমপি কমিশনার ফয়জুল কাবির এই মর্মে মন্তব্য করেন রাজশাহীতে আজ একদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। আরএমপি ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের রাজশাহী সিটি এরিয়া ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম যৌথভাবে পুলিশ লাইন্সের পিওএম কনফারেন্স রুমে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে।
প্রশিক্ষণে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মুর্শিদা ফার্দৌস বিন্তে হাবিব প্রশিক্ষক হিসেবে শিশুদের মানসিক বিকাশ, ট্রমার প্রভাব, শিশু শিকারদের আচরণগত পরিবর্তন, নিরাপদ যোগাযোগ এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: কেন পুলিশ অফিসারদের শিশুদের প্রতি সংবেদনশীল হতে হবে? উত্তর: শিশুরা যদি নিরাপদ অনুভব করে তাহলে তারা মুক্তভাবে কথা বলতে পারবে, যা তাদের ট্রমা অভিজ্ঞতা বুঝতে এবং তাদের সহায়তা করতে সহায়ক হবে।
প্রশ্ন: প্রশিক্ষণে কোন বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে? উত্তর: শিশুদের মানসিক বিকাশ, ট্রমার প্রভাব, শিশু শিকারদের আচরণগত পরিবর্তন, নিরাপদ যোগাযোগ এবং মানসিক সহায়তা প্রদানের কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
প্রশ্ন: এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কোন লক্ষ্য পূরণ করা হবে? উত্তর: শিশুদের সাথে কাজ করা পুলিশ অফিসারদের মানসিক যত্ন ও সংবেদনশীলতার দক্ষতা বৃদ্ধি করা এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।





































