মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান টোমোকো আকানি এবং আরও এক উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, এই কর্মকর্তারা আইসিসির তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক বা অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, যাদের সরকার আইসিসির আওতায় নেই।
আইসিসির প্রতিক্রিয়া
আইসিসি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করে বলেছে, এই পদক্ষেপ বিশ্ব আইনের শাসনকে দুর্বল করে তুলেছে। আইসিসি বলেছে, যখন বিচারকদের কাজ করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়, তখন আন্তর্জাতিক আইনী ব্যবস্থার স্বার্থই ঝুঁকির সম্মুখীন হয়।
আমেরিকা এবং আইসিসির সংঘাত
আমেরিকা আইসিসির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকবার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। বিশেষ করে যখন আইসিসি মার্কিন মিত্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল, তখন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে আইসিসি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।
নেতানিয়াহু এই নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থন করেছেন এবং আইসিসিকে 'আন্তর্জাতিক আইনের ভাষায় ক্ষমতার অপব্যবহার ঢাকা কেঙ্গারু আদালত' বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, নেদারল্যান্ডসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেন এই নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করেছেন।
গত মাসে, ওয়াশিংটন আইসিসির বিরুদ্ধে এক বড় কূটনৈতিক আক্রমণ শুরু করেছিল, দাবি করে যে আইসিসি মার্কিনদের হুমকি দিচ্ছে। চ্যাড এবং ভেনিজুয়েলা ইতিমধ্যে আইসিসি থেকে প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছে।
আইসিসি এই প্রত্যাহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, বলে যে এই দেশগুলো ন্যায়বিচারের সম্মিলিত অনুসন্ধানকে দুর্বল করে তুলতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রোম চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল কিন্তু কখনও তা অনুমোদন করেনি। ইসরায়েল এবং রাশিয়াও আইসিসির সদস্য নয়।




































